শিরোনাম

‘ট্রাম্প প্রশাসন অযোগ্য ও অদক্ষ’ বৃটিশ রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  |  ০৯:৪৫, জুলাই ১১, ২০১৯

‘ট্রাম্প প্রশাসন অযোগ্য ও অদক্ষ’ বলে দাবি তুললেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বৃটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারচ। এরপর তার ইমেইলে বার্তাটি প্রকাশিত হলে দুই দেশের সম্পর্কে ফাটল ধরার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ওই রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কোনো ধরনের কাজ করছেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এরপরই বুধবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন কিম ড্যারচ।

রোববার বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে পাঠানো কিছু ইমেইলে ট্রাম্প প্রশাসনকে এই ধরনের মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন রাষ্ট্রদূত কিম ড্যারচ।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন অপদার্থ, অদক্ষ। তার ওপর নির্ভরই করা যায় না। এমনকি হোয়াইট হাউজকে অকার্যকর ও বিভক্ত বলেও আখ্যায়িত করেন কিম ড্যারচ।

বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা সিমন ম্যাকডোনাল্ডকে লেখা চিঠিতে ড্যারচ বলেন, ট্রাম্প তাকে বোকা ও মূর্খ বলেছেন। তিনি বুঝতে পেরেছেন যে, এ পদে তিনি আর থাকতে পারছেন না।

ড্যারচ আরো বলেন, ওই ইমেইল ফাঁসের পর পরিস্থিতি এটি বেগতিক যে, আমার পক্ষে কাজ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এ চিঠির উত্তরে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, আপনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড্যারচের প্রশংসা করেন। এমনকি তাকে সেরা হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন।

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে জানিয়েছেন, তিনি ড্যারচের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি ড্যারচের পদত্যাগ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।
ওই ইমেইল ফাঁসের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিম ড্যারচকে সমর্থন দিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। যদিও তার এমন বক্তব্যে তিনি সমর্থন করেন না বলেও জানিয়েছেন।

মে বলেন, স্যার কিম আজীবন বৃটেনের সেবা করে গেছেন। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। একটি সুন্দর সরকার সবসময় তার কর্মচারীদের নির্দিধায় দেয়া উপদেশের ওপর নির্ভর করে। তিনি আরো বলেন, আমি চাই আমাদের সকল কর্মকর্তাই ড্যারচের মত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুক।

এদিকে, লেবার পার্টির প্রধান জেরেমি করবিনও কিম ড্যারচের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ড্যারচের সঙ্গে যা হয়েছে তা অন্যায্য ও ভুল। তিনি বৃটেনকে সম্মানজনক ও ভালোভাবে সেবা দিয়েছেন।

জেডআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত