শিরোনাম

বিমানযাত্রায় প্রতি বছর আড়াই কোটি ব্যাগ উধাও

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৫:০৫, জুন ১২, ২০১৯

বিমানে চলাচলকারী যাত্রীদের জিনিসপত্র গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে অনেক বছর ধরেই। ব্যবহার হচ্ছে বিভিন্ন ডিজিটাল ট্র্যাকিং ডিভাইস। তবু প্রতি বছর প্রায় আড়াই কোটি ব্যাগ উধাও হয়ে যাচ্ছে বলে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে।

বিমান অবতরণের পর যাত্রীরা যখন ক্যারোজেলে মালপত্র রেখে সামনে বাড়েন এবং নিজের মালপত্রের জন্য কেনভেয়ার বেল্টে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখেন তখনই ঘটে বিপত্তি। ক্যারোজেল একটি ধাক্কা খেয়ে বন্ধ হয়ে যায় এবং অনেক যাত্রী তার স্যুটকেস, ব্যাগ চোখেই দেখতে পান না।

প্রতিবছর এমন অগণিত ঘটনা ঘটে। যাত্রীরা মুখোমুখি হন এসব অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতার।

বিমান ভ্রমণ সবধরনের সুবিধা ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়া সত্ত্বেও বিপুল পরিমাণে যাত্রীদের মালপত্র উধাও হয়ে যায়।

এয়ার ইন্ডস্ট্রিকে কম্পিউটার টেকনোলজি সাপ্লাই এবং আন্তর্জাতিকভাবে মালপত্র আনা-নেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত কোম্পানি সিটার (এসআইটিএ) বক্তব্য, ২০০৭ সালে প্রায় ৪৬.৯ মিলিয়ন ব্যাগ গন্তব্যে পৌঁছেনি। তবে ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী ২৪.৮ মিলিয়ন ব্যাগ গন্তব্যে পৌঁছেনি, যা প্রায় আড়া্ই কোটির সমপরিমাণ।

মার্কিন এয়ারলাইন ডেল্টায় কর্মরত গ্যারেথ জোস বলেন, আমরা প্রতি বছর ১৫০ মিলিয়ন ব্যাগ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাই। ব্যাগগুলোর মধ্যে আরএফআইডি (রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি আইডেন্টিটি ফিকশন) ট্যাগ লাগানো থাকে। এর মাধ্যমে ব্যাগগুলো আপনাআপনিই যার যার গন্তব্যে পৌঁছে যায়।

ডেল্টার দাবি, এখন তারা ৯৯.৯ ভাগ ব্যাগই সঠিক গন্তব্যে পাঠাতে পারে। অন্যান্য এয়ার কোম্পানিগুলোও ওই ট্যাগ লাগানোর পদ্ধতি প্রয়োগ করছে। এরপরও প্রতিবছর ৪.৩ বিলিয়ন ব্যাগের মধ্যে প্রায় ২৫ মিলিয়ন ব্যাগ মালিক পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

এসএস

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত