শিরোনাম

অস্ট্রিয়ায় স্কুলে মেয়েদের হিজাব নিষিদ্ধে আইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  |  ২১:০২, মে ১৬, ২০১৯

অস্ট্রিয়ার স্কুলে মুসলমান মেয়েদের হিজাব পরা ঠেকাতে একটি আইন পাস করেছে দেশটির সরকার৷ তবে ইহুদিদের টুপি এবং শিখদের পাগড়ি এই আইনের আওতায় রাখা হয়নি৷

তবে এমন আইনকে বৈষম্যমূলক হিসেবে বিবেচনা করে দেশটির সাংবিধানিক আদালতে সেটিকে চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

ডয়েচেভেলের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, সংসদে বিলটির পক্ষে ভোট দেন দেশটির ক্ষমতাসীন মধ্য ডানপন্থি দল পিপল'স পার্টি এবং উগ্র ডানপন্থি ফ্রিডম পার্টির সদস্যরা৷ তবে, সংসদে বিরোধী দলের প্রায় সব সদস্য বিলটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন৷

আইনটির লক্ষ্য বলতে গিয়ে লেখা হয়েছে, ‘যে-কোনো আদর্শগত বা ধর্মীয় প্রভাবান্বিত পোশাক, যা মাথা ঢেকে রাখার লক্ষ্যে ব্যবহার করা হয়’ তা নিষিদ্ধ৷

তবে বুধবার রাতে সরকারের তরফ থেকে এটাও জানানো হয়েছে, শিখদের পাগড়ি বা ইহুদিদের টুপি এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না, কেননা আইনটিতে এমন মাথার কাপড়ের কথা বলা হয়েছে, যেটি সব চুল বা মাথার অধিকাংশ অংশ ঢেকে রাখে৷ এছাড়া চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে, কিংবা বৃষ্টি ও তুষারপাত থেকে বাঁচতে মাথা ঢেকে রাখতে কোনো বাধা নেই৷

ইসলামি বিধান মতে, মুসলিম নারীদের জন্য বয়ঃসন্ধিকাল থেকে হিজাব বা হেডস্কার্ফ ব্যবহার কর‍া জরুরি। ক্ষমতাসীন দলের আইনপ্রণেতারা ইতোমধ্যে স্বীকার করেছেন, নতুন আইনটি মূলত মুসলমান মেয়েদের জন্যই প্রণয়ন করা হয়েছে৷

তবে সাবেক সামাজিক গণতন্ত্রী দলের শিক্ষামন্ত্রী সোনিয়া হামার্স্মিড্থ সরকারের বিরুদ্ধে ইন্টিগ্রেশন বা শিক্ষাবিষয়ক প্রকৃত সমস্যা সমাধানের বদলে এসব বিতর্কিত বিষয় নিয়ে আইন করে সংবাদ শিরোনাম হওয়ার চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন৷

উল্লেখ্য, অস্ট্রিয়ার আনুষ্ঠানিক মুসলিম কমিউনিটি অর্গানাইজেশন নতুন আইনটিকে ‘ধ্বংসাত্মক’ এবং শুধুমাত্র ‘মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে সেটির বিরুদ্ধে আইনি লড়াই পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে৷

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত