শিরোনাম

নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে বর্বর বন্দুকহামলা : ৩ বাংলাদেশিসহ নিহত ৪৯

প্রিন্ট সংস্করণ॥আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ০১:৪১, মার্চ ১৬, ২০১৯

*গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৮ বাংলাদেশি, নিখোঁজ ২
*অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন মুশফিক-তামিমরা
*হামলায় তৃতীয় টেস্ট ম্যাচ বাতিল
*আজই দেশে ফিরছেন টাইগাররা
*নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশিদের জরুরি যোগাযোগে হটলাইন
*হামলাকারী মানসিকভাবে অসুস্থ নয়

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নূর মসজিদসহ দুটি মসজিদে হামলায় অন্তত ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশিও রয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৮ বাংলাদেশি। আরও দুজন বাংলাদেশির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম সুফিউর রহমান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। ওই ঘটনার সময় আক্রান্ত নূর মসজিদে নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবালসহ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা। তবে বন্দুকধারীর গুলিতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটলেও নিরাপদে আছেন টাইগাররা। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে আল নূর মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।এদিকে, আজ শনিবার ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভাল মাঠে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে তৃতীয় টেস্ট খেলার কথা ছিলো বাংলাদেশের। সেই মাঠেই গতকাল অনুশীলন করছিলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। অনুশীলন শেষে দুপুরে মাহমুদ উল্লাহ-তামিমরা নামাজ পড়তে স্থানীয় আল নূর মসজিদে যান। তারা যখন মসজিদের কাছাকাছি পৌঁছান ঠিক তখন বন্দুকধারী হামলা শুরু করে। দ্রুত ক্রিকেটাররা হ্যাগলি পার্কের পেছন দিয়ে বেরিয়ে স্টেডিয়ামের ভিতর চলে আসেন। সেখানে ড্রেসিং রুমে বেশ কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন। এদিকে, নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে বন্দুক হামলায় অনেক লোক হতাহতের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা অর্ডেনের কাছে পাঠানো এক শোকবার্তায় মসজিদে গুলিবর্ষণে অনেক লোকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জানা গেছে, হামলাকারীদের একজন অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত। তার নাম ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। ২৮ বছর বয়সি এই হামলাকারী শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের মৌলবাদী ও জঙ্গি মানসিকতার লোক ছিল। অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ওই ব্যক্তিকে অস্ট্রেলিয়ায় হাজতবাস করতে হয়েছিল। সে মৌলবাদী, ডানপন্থি ও সহিংস সন্ত্রাসী ছিল। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অপরাধসংক্রান্ত পুরনো রেকর্ড আছে গ্রাফটন শহরের এই লোকের।সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নিউজিল্যান্ড পুলিশ সবাইকে নিজ নিজ বাসায় নিরাপদে থাকতে নির্দেশনা দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এ দিনটিকে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম কালো দিন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনের জন্য মসজিদে যেতে দেরি হওয়াতেই মূলত বেঁচে যান মুশফিক-তামিমরা। এদিকে ঢাকায় বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সকলেই নিরাপদে রয়েছেন। দলের ট্রেনার মারিয়ো ভিল্লাভারায়েন জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে থাকা খেলোয়াড়রা আতঙ্কিত হয়েছেন, তবে ঠিক আছেন। তিনি বলেন, আমি ঘটনার কিছুক্ষণ পরই তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। গুলির আওয়াজ শুনে সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়েছে সবাই। ঘটনার দলের কোচিং সহকারীরা সকলে হোটেলে ছিলেন। ঘটনার পরপরই টুইটে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম জানিয়েছেন, আমরা বেঁচে গেছি। ফেসবুকে মেহেদী হাসান মিরাজের অফিসিয়াল পেইজে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, টিম হোটেলে ফিরছেন তামিম-মিরাজরা। এমন এক ঘটনার পর খুব দ্রুত দশে ফিরতে চাইছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। তড়িঘড়ি করে সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আজ শনিবার সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিমানে করে টাইগাররা বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় দেশে ফিরবে। এদিকে, ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম যে হোটেলে রয়েছে, সেই হোটেলের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, এই ঘটনার পর আমরা তৃতীয় টেস্ট ম্যাচটি খেলছি না। ম্যাচটি বাতিল করেছি। ক্রিকেটাররা দেশে ফিরে আসছে। এদিকে, বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট ক্রাইস্টচার্চের ঘটনা নিয়ে ভীতিকর অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ৫০ গজ দূরে ছিল তামিম-মুশফিকদের বাস। আরেকটু আগে মসজিদে ঢুকলেই ভয়ানক ঘটনা ঘটে যেতে পারতো ক্রিকেটারদের জীবনে। নিজেদের ভাগ্যবান উল্লেখ করে পাইলট বলেন, এই ধরনের দুর্ঘটনা আমরা কেউই আশা করি না। কোনো দেশেই এমন ঘটনা যেন না ঘটে। আমরা সত্যিকার অর্থেই খুব ভাগ্যবান। বাসে আমরা ১৬-১৭ জন ছিলাম। ঘটনাস্থল থেকে আমরা ৫০ গজের মতো দূরে ছিলাম। আমরা ভাগ্যবান। আর ৩-৪ মিনিট আগেই যদি আমরা আসতাম, তাহলে হয়তো মসজিদের মধ্যে থাকতাম। তখন অনেক ভয়াবহ একটা ঘটনা ঘটে যেত। আমি শুকরিয়া আদায় করছি, আমরা খুব সৌভাগ্যবান বলেই বেঁচে গেছি। বাসে বসেই রক্তাক্ত মানুষদের মসজিদ থেকে বের হতে দেখেছেন ক্রিকেটাররা। খুব খারাপ অবস্থা দেখেই পাশের পার্ক দিয়ে পরবর্তীতে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন তারা। পাইলট আরো বলেন, আমার মনে হচ্ছিল আমরা মুভি দেখছিলাম। বাসের মধ্যে থেকে দেখছিলাম, রক্তাক্ত অবস্থায় অনেকে বেরিয়ে আসছে। বেশ কিছু মানুষ বেড়িয়ে আসতে পেরেছে। প্রায় ৮/১০ মিনিট আমরা বাসের মধ্যেই ছিলাম। ওখানে সবাই মাথা নিচু করে ছিল। যদি কোনো কারণে বাসে হামলা হয়, আমরা যেন বেঁচে যেতে পারি। অবশ্য পরে বাস থেকে বেরিয়ে এসেছি। কেন না মনে হচ্ছিল সন্ত্রাসীরা বেরিয়ে এসে এলোপাতাড়ি গুলি করলে কেউই বাঁচবো না। এখন ক্রিকেটারদের মনে একটাই ভাবনা কীভাবে দ্রুত দেশে ফেরা যায়। পাইলট বললেন, তারা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। টিকিট পাওয়া মাত্রই বাংলাদেশ দল দেশের বিমানে চড়বেন। অন্য কোচিং স্টাফ যারা আছেন তারা হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাবে, তারা হয়তো পেয়ে যাবে। আপনি যখন নিজের চোখে এইসব ঘটনা দেখবেন, তখন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। বাসের মধ্যে অনেকেই কান্নাকাটি করছিল, অনেকেই কী করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না। এদিকে, নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এখনো আতঙ্কিত বাংলাদেশ। এমন ঘটনার মুখোমুখি আগে কখনো হননি ক্রিকেটাররা। তবে এই একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতায় প্রশ্ন উঠেছে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে। গতকাল শুক্রবার গুলশানে নিজ বাসায় দেশের ক্রিকেট বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন জানান, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থার আশ্বাস পেলেই এখন থেকে বাংলাদেশ দল কোথাও সফরে যাবে। কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে কিংবা দ্বিপক্ষীয় সিরিজে অংশ নিতে বিদেশি কোনো দল বাংলাদেশ সফরে এলে নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে টিম হোটেল, টিম হোটেল থেকে ভেন্যু এবং ভেন্যু থেকে টিম হোটেল পুরো পথই নিরপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে। এমনকি বিদেশি খেলোয়াড়রা মাঠের বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলে সেখানেও থাকে এই ব্যবস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ কোথাও গেলে শক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা চোখে পড়ে না কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিরাপত্তাই দেওয়া হয় না ক্রিকেটারদের জন্য। সেটা যে কতটা সত্য, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর। অথচ সেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য কোনো ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি যোগাযোগের নম্বর
নিউজিল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি যোগাযোগের নম্বর দেওয়া হয়েছে। অনারারি কনসাল শফিকুর রহমান +৬৪২১০২৪৬৫৮১৯, ক্যানবেরায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার তারেক আহমেদ +৬১৪৫০৬৫৭০৪৬। এছাড়া জরুরি যোগাযোগের আরও দু’টি নম্বর দেওয়া হয়েছে। নম্বরগুলো হলো, +৬১৪২৪৪৭২৫৪৪ ও +৬১৪৫০১৭৩০৩৫।জানা গেছে, নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের স্থায়ী দূতাবাস নেই, অনারারি কনসাল ইঞ্জি. শফিকুর রহমান থাকেন অকল্যান্ডে। বাংলাদেশি দুজন নিহত ও আটজন গুলিবিদ্ধের তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, শুক্রবার অনেকেই জুমার নামাজ পড়তে আল নূর মসজিদে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কযেকজন না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন।পরে হাসপাতালে ১০ বাংলাদেশির গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে দুজন মারা গেছেন।নিহতদের পরিচয় জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, নিহত দুই বাংলাদেশি হলেন- কৃষিবিদ ড. আবদুস সামাদ ও হোসনে আরা। তিনি লিংকন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করতেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। একসময় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। আর হোসনে আরা একজন গৃহবধূ।

‘হামলাকারী মানসিকভাবে অসুস্থ নয়’
নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত এক আরব সাংবাদিকের বরাতে আনাদলু জানায়, হঠাৎ কেন এমন নৃশংসতার স্বীকার হতে হলো, নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখনও বিষয়টি বুঝে উঠতে পারছে না।এ হামলার যে ধরন তাতে স্পষ্ট যে, এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ। হামলাকারী মানসিকভাবে অসুস্থ নয়; কারণ তিনি পেশাদার অস্ত্র ব্যবহার করছেন এবং তার সময় নির্ধারণটাও পরিকল্পিত।নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত আসমা শুকরা নামের ওই আরব সাংবাদিক বলেন, ক্রাইস্টচার্চে নৃশংস এ হামলার পর নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা এখন চরম আতঙ্ক ও শোকাবহ অবস্থায় রয়েছে। জুমার নামাজের সময় যা ঘটেছে তা এখনও নিউজিল্যান্ডের মুসলমানরা বিশ্বাস করতে পারছেন না।আসমা বলেন, নিউজিল্যান্ডের মতো শান্ত দেশে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটবে,তা মুসলমানদের ধারণাতেও ছিল না। এরপরও শান্তি ও সহানুভূতির সঙ্গেই মুসলমানরা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ধর্মীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।এ প্রসঙ্গে উদাহরণস্বরূপ আসমা জানান, প্রতিদিন তিনি সাধারণ পরিবহনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। এতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন না। যদিও তিনি হিজাব পরেন, কিন্তু কখনও বিরূপ কোনো পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি তাকে। অথচ ইউরোপ ও আমেরিকাতেও মুসলমানরা বর্ণবাদী হামলার শিকার হয়।স্থানীয় মিডিয়া বিষয়টিতে সক্রিয় আছে জানিয়ে মুসলিম এ নারী সাংবাদিক বলেন, আক্রমণের বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে তারা কভারেজ করেছে, যা নতুন ছিল। এটি একটি অসাধারণ ঘটনা, প্রায় ৫ মিলিয়ন জনসংখ্যার একটি ছোট দেশে এমন ঘটনা সব মতাবলম্বীদের জন্যই দুঃখজনক।শুক্রবার দেশটির সাউথ আইল্যান্ডে আল নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে জুমার নামাজের সময় বন্দুকধারীর হামলায় ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৭ জন। নৃশংস এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে সারা বিশ্ব। বিশ্বের অনেক দেশের মতো নিউজিল্যান্ডে বর্ণবাদের সমস্যা তেমন ছিল না। শান্তিপূর্ণভাবেই বিভিন্ন জাতি দেশটিতে বসবাস করত।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত