শিরোনাম:
amar-sangbad-logo বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ পরিত্যক্ত        amar-sangbad-logo ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ সমাপ্ত ঘোষণা        amar-sangbad-logo দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলি করে বাংলাদেশিকে হত্যা         amar-sangbad-logo বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য ‘কৌশলগত আলোচনায়’ সমঝোতা চুক্তি সই        amar-sangbad-logo ১০ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ প্রকল্পের অনুমোদন        amar-sangbad-logo শিক্ষক লাঞ্ছনা : মামলার মুখে নারায়ণগঞ্জের এমপি সেলিম ওসমান        amar-sangbad-logo চট্টগ্রামে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ডে জঙ্গি দম্পতি        amar-sangbad-logo ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ কলেজ প্রিন্সিপাল-শিক্ষকরাও জড়িত        amar-sangbad-logo প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসএ্যাপে        amar-sangbad-logo ‘একুশ’ যাবে কার জিম্মায়, সে আদেশ বুধবার         amar-sangbad-logo প্রতিবন্ধিতা ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ২য় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ডিসেম্বরে       

শুকনো ফলে পুষ্টির মান বেশি

অনলাইন ডেস্ক | ১৯:৩৯, জানুয়ারি ০৯, ২০১৭

বহু যুগ আগে থেকেই ফল শুষ্ক করে বা ফলের মধ্যকার জলীয় অংশকে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা ও খাওয়ার প্রচলন আছে। কিশমিশ, খোরমা, শুকনো খেজুর, আমসি, আমসত্ত্ব ইত্যাদি আমাদের দেশে জনপ্রিয়। ইদানীং বাজারে বিদেশি শুকনো ফল যেমন: এপ্রিকট, ক্রানবেরি, ফিগ ইত্যাদিও প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে।

সাধারণ ফলকে শুকিয়ে ফেলার পর এর মধ্যকার উপাদানের ঘনত্ব বেড়ে যায় বলে শুকনো ফলে সাধারণ ফলের চেয়ে পুষ্টি বা ক্যালরি বেশি। শুকনো করে ফেলার পরও এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, রিবোফ্ল্যাভিন, থায়ামাইন ইত্যাদি পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে। এ ছাড়া শুকনো ফলে চর্বি, কোলেস্টেরল ও সোডিয়াম বা লবণ থাকে না বললেই চলে। তবে এতে চিনি বা শর্করার পরিমাণ বেশি। আবার অনেক সময় প্রস্তুতপ্রণালিতে খানিকটা চিনি মেশানো হয় বলে এগুলো রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে। কিন্তু বাড়তি শক্তি ও ক্যালরি জোগাতে ড্রাই ফ্রুট বা শুকনো ফলের জুড়ি নেই।

* কিশমিশ, শুকনো খেজুর ও এপ্রিকটে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে এবং রক্তশূন্যতার রোগীদের প্রায়ই এসব ফল খেতে বলা হয়। এ ছাড়া কিশমিশে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসও অনেক। রক্ত চলাচলে সাহায্য করে এগুলো। রক্তনালিকে সুস্থ রাখে।

* শুকনো ফলে প্রচুর আঁশ বা ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। বিশেষ করে এপ্রিকট ও ফিগ বা শুকনো ডুমুর পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতার জন্য ভালো।

* শুকনো ক্রানবেরি প্রস্রাবের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। শুকনো আম বা আমসত্ত্বতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই। আরও আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বকের সুরক্ষা দেয়। কিশমিশে যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে, তা ত্বককে সতেজ রাখে বলে সৌন্দর্যচর্চায় এর ব্যবহার সুপ্রাচীন।

শুকনো ফলের ভালো দিক হলো, এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে খাওয়া যায় ও সহজে বহনযোগ্য, পচনশীল নয়। শুকনো কাচের বয়াম বা জারে সংরক্ষণ করে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন এবং প্রতিদিন কিছু পরিমাণ করে খেতে পারেন।



 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
close-icon