শিরোনাম

সুষ্ঠু নির্বাচনে ইসিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ২৩:৪৪, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন তাদের অর্পিত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে সরকার প্রত্যাশা করে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় দেশের জনগণ সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। সুষ্ঠুভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুসারে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য জনবলের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কমিশনের চাহিদা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহের সঙ্গে আলোচনাক্রমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি সার্চ কমিটি গঠন করেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি ১ জন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ৪ জন নির্বাচন কমিশনারের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন।

পৃথিবীর সব দেশের রাজধানীতে যানজটের সমস্যা রয়েছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর সব দেশের রাজধানী শহরেই যানজটের সমস্যা রয়েছে। যানজট সমস্যা সমাধান ও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সদস্য বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এবং সড়ক নিরাপত্তায় উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। চার বছর মেয়াদী ন্যাশনাল রোড সেইফটি এ্যাকশান প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ১২১টি দুর্ঘটনা প্রবণ স্থানে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ৩৭৩ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ৪ হাজার ৩৬৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভার এবং ওভারপাস নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গত ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে সারাদেশে ২ লাখ ৭৭৯টি যানবাহন ও ৮১ হাজার ৪৬৮ জন চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকার এলিভেটেড এক্সপ্রেস সড়ক র্নিমাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, মহাসড়কে বাসের সর্বোচ্চ গতি ৮০ ও ট্রাকের সবোর্চ্চ গতি ৬০ কিলোমিটার এবং অতিরিক্ত ওজন সীমার যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে এলেক্স রোড কন্ট্রোল স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে এবং মহাসড়কের পাশে বিশ্রামাগার স্থাপন করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত