শিরোনাম

স্টার কিডদের হাজার কোটি টাকা

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ০১:৪৭, জানুয়ারি ২৬, ২০১৯

কারও বয়স তিন, কারও পাঁচ, কারও বা দশ। এই বয়সেই এদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে শত বা হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি এসব তথ্য প্রকাশ করেছে নামিদামি পত্রিকা যা দেখে বিস্মিত নামকরা শিল্পপতিরাও। এবার এসব স্টার কিডদের নিয়ে লিখেছেন-জিয়া উল ইসলাম 

সারোগেসি পদ্ধতি কী
সম্প্রতি সারোগেসি পদ্ধতির মাধ্যমে অনেকেই বাবা হচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে বলিউডের অনেক খ্যাতিমান পরিচালক এবং অনেক নামি দামি অভিনেতা-অভিনেত্রীই সারোগেসির মাধ্যমে পেয়েছেন বাবা-মা হওয়ার স্বাদ। এনিয়ে হয়েছে অনেক আলোচনা সমালোচনা। কিন্ত সারোগেসি নিয়ে শুধু আলোচনা সমালোচনা নয় এই পদ্ধতি নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। আসলে সারোগেসি বিষয়টি কী?
চলুন এবার জানা যাক-
একজনের নারীর গর্ভে অন্য দম্পতির সন্তান ধারনের পদ্ধতিকে সারোগেসি বলে। সারোগেসির এই পদ্ধতি বেশ দীর্ঘকালীন। আইভিএফ পদ্ধতিতে স্ত্রী ও পুরুষের ডিম্বাণু ও শুক্রাণু দেহের বাইরে নিষিক্ত করে তা নারীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়।
কেন সারোগেসির প্রয়োজন হয়?
অনেক চেষ্টার পরও যখন সন্তান লাভের আর কোন পথ থাকে না তখন সারোগেসিই হয় অন্যতম উপায়। তবে এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন-
১. অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও বারবার মিসক্যারেজ হওয়া
২. আইভিএফ চিকিৎসায় গর্ভধারণ না হওয়া
৩. অকাল মেনোপজ
৪. জরাযুতে অস্বাভাবিকতা বা অস্ত্রোপচারের কারণে বাদ যাওয়া
সারোগেসি দুই রকমের হয় -
১. পার্শিয়াল সারোগেসি- অনেকদিন থেকে এটি চলছে। সন্তান ধারণে এখানে কোনও ভূমিকাই পালন করেন না মা। বাবার শুক্রাণু আর সারোগেট মায়ের ডিম্বাণু থেকে শিশুর জন্ম হয়।
২ ট্রু-সারোগেসি/জেস্টেশনাল/আইভিএফ সারোগেসি- মায়ের ডিম্বাণু নিয়ে ল্যাবে ভ্রুণ তৈরি করা হয়। এরপর সারোগেট মায়ের জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয় ভ্রুণটি। এটিই এখন প্রচলিত পদ্ধতি।
পার্শিয়াল সারোগেসি পদ্ধতিতে মহিলার ডিম্বাণু এবং গর্ভ দুটোই ভাড়া নেয়া হয়। সেক্ষেত্রে সন্তানের ওপর মায়ের একটা জৈবিক অধিকার থেকে যায়। অন্যদিকে আইভিএফে মায়ের ডিম্বাণু ‘স্পার্ম ব্যাংকদ থেকে আনা অন্য পুরুষের শুক্রাণুর সঙ্গে অথবা বাবার শুক্রাণু ডোনার মহিলার ডিম্বাণু দেহের বাইরে নিষিক্ত করে ভাড়া দেয়া মহিলার গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয়।
যেহেতু গর্ভ ভাড়া দেওয়া মহিলার ডিম্বাণু ব্যবহার করা হয়নি, সেহেতু ভূমিষ্ট সন্তানের ওপর সেই মহিলার কোনো অধিকার বর্তায় না। তবে বাবা-মাদের শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু নিষিক্ত করে যে ভ্রুণ তৈরি করা হয়, তার পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব নিয়ে কোনো সংশয় থাকে না। তবে আইভিএফ পদ্ধতিতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্ত করাকে টেস্ট-টিউব বেবি মনে করা যাবে না। কারণ টেস্ট-টিউব বেবি ভ্রুণ অবস্থায় মাতৃগর্ভেই বেড়ে ওঠে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত