শিরোনাম

বাস্তব জীবনে জেলে যে তারকারা

জিয়া উল ইসলাম  |  ০২:৪৭, এপ্রিল ০৭, ২০১৮

নায়ক নায়িকাদের পর্দায় দেখতে দেখতে দর্শকরা প্রায় ভুলে যান যে নায়ক নায়িকাদের যে এক বাস্তব জীবন রয়েছে। সেই বাস্তব জীবনে ঘটে অনেক ঘটনা। সাধারণ মানুষের মত তাদের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার বা ঘটনাচক্রে এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবেই করে ফেলেন অপরাধ আর সেই অপরাধের জন্য তাদের জীবন কাটে কারাগারে এমনই বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে বলিউডের কয়েকজন তারকাকে থাকতে হয়েছে কারাগারে। এবার সেই সব তারকাদের নিয়ে লিখেছেন জিয়া উল ইসলাম

সালমান খানের জেল ও জীবন

সালমান খান একজন জনপ্রিয় ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি ইতোমধ্যেই ৮০টির বেশি হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
সালমান খান বলিউড এর সবচেয়ে বড় সুপারস্টার,তিনি বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন বিবি হো তো এহসি চলচ্চিত্রে একটি গৌণ ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে ১৯৮৮-তে। তাঁর অভিনীত প্রথম ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র ম্যায়নে পিয়ার কিয়া ১৯৮৯ সালে মুক্তি পায়; এজন্যে তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ নবাগতার পুরস্কার লাভ করেন। এরপর নব্বইয়য়ের দশকে তিনি বলিউডে বেশ কিছু ব্যবসা সফল হিন্দি চলচ্চিত্র উপহার দেন, যেমন সাজন (১৯৯১), হাম আপকে হ্যায় কৌন..! (১৯৯৪), করন অর্জুন (১৯৯৫), জুড়াওয়া (১৯৯৭), পেয়ার কিয়া তো ডারনা কেয়া (১৯৯৮) বিবি নং. ১ (১৯৯৯)। বলিউডের সবচেয়ে বেশি ব্যাবসা সফল সিনেমা তার দখলে। সালমান খান বলিউডে নাম টাই যথেস্ট। ১৯৬৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে নামকরা চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের ঔরসে সালমা খানের গর্ভে সালমান খানের জন্ম হয়।
তার নাম রাখা হয় আবদুর রশিদ সলিম সালমান খান। সালমান খানের উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয়। তবে কম উচ্চতা কখনোই তাঁর সাফল্যে ভাটা পড়তে দেয়নি। সালমানের বাবা সেলিম খান অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে পরিচিত হলেও একটা সময়ে তিনি পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। ১৯৬৪ সালে সুশীলাকে বিয়ে করেন সেলিম। পরের বছর সালমানের জন্ম হয়। সেলিম-সুশীলা দম্পতির চার সন্তান সালমান, আরবাজ, সোহেল ও আলভিরা। ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় বিয়ে করেন সেলিম খান।
তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এক সময়ের পর্দা-কাঁপানো বলিউডের অভিনেত্রী হেলেন। বিয়ের পর মেয়ে অর্পিতা খানকে দত্তক নেন সেলিম-হেলেন দম্পতি। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় সালমান। স্কুলে পড়ার সময় বহুবার সাঁতার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি দেশের বাইরেও সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন । ১৯৮৮ সালে ‘বিবি হো তো অ্যায়সি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন সালমান খান। তার দ্বিতীয় ও সাফল্য পাওয়া ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ (১৯৮৯) ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তিনি বহু ব্যবসাসফল ছবির নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সজন, হাম আপকে হ্যায় কৌন, করণ-অর্জুন, বিবি নাম্বার ওয়ান, হাম দিল দে চুকে সানাম, তেরে নাম, পার্টনার, বডি গার্ড, দাবাং, রেডি, বজরংগী ভাইজান, সুলতান ইত্যাদি। ১৯৯৮ সালে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবিটিতে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেতার সম্মান লাভ করেন।

যে হরিণের কারণে জেলে সালমান

ভারতের রাজস্থানের যোধপুরের আদালতে যখন সালমান খানের সাজা হয়, আদালতের বাইরে সেসময় উল্লাস করে মিষ্টি বিতরণ করেছে একদল মানুষ। ওরা রাজস্থানের ‘বিশনয়’ সম্প্রদায়ের। ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে এই সম্প্রদায়ের মানুষই সালমান খান সহ একটি শুটিং ইউনিটের আরো কজনের বিরুদ্ধে দুটি কৃষ্ণ হরিণ - যা চিংকার নামেও পরিচিত - হত্যার অভিযোগে মামলা করে। চিংকার হরিণ ভারতে সংরক্ষিত প্রাণীর তালিকায়। সে কারণে, সাথে সাথেই সালমানকে তখন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যদিও ১০ দিন পর তিনি জামিনে ছাড়া পান। ২০ বছর পর সেই মামলায় তার পাঁচ বছর সাজা হলো। আর এই সাজার জন্য বিশনয় সম্প্রদায় এই মামলার পেছনে ক্রমাগত লেগে ছিল। ভগবান বিষ্ণুর পূজারি বিশনয় সম্প্রদায় কয়েকশ বছর ধরে ২৯টি রীতি অক্ষরে অক্ষরে মানার চেষ্টা করে। আর সেই সব রীতির মোদ্দা কথা - প্রকৃতির সুরক্ষা, বৃক্ষ রক্ষা, জঙ্গলের প্রাণী রক্ষা। বিশেষ করে চিংকার হরিণকে বিশনয় সম্প্রদায় পবিত্র হিসাবে গণ্য করে। এই হরিণকে তারা বলতে গেলে পুজো করে। প্রাচীন হিন্দু পুরানের এই কৃষ্ণ হরিণের উল্লেখ রয়েছে যে এরা ভগবান কৃষ্ণের রথ টানতো। চিংকারকে মানা হয় বাতাস এবং চাঁদের বাহন হিসাবেও।
বিশ্বাস এবং ভক্তির কারণেই প্রভাবশালী বিশনয় সম্প্রদায় ২০ বছরেও এই মামলা নিয়ে হাল ছাড়েনি। সাথে ছিল প্রাণী ও পরিবেশ সংরক্ষণের আন্দোলনকারীদের সাহায্য।

কৃষ্ণ হরিণ কোথায় পাওয়া যায় !

কৃষ্ণ হরিণ এর সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকলেও ভারত, পাকিস্তান এবং নেপালে এই হরিণ দেখা যায়। ভারতের রাজস্থান এবং গুজরাটের মরু এলাকায় এগুলো চেখে পড়ে বেশি। পুরুষ চিংকারের ওজন বড় জোর ৪৫ কেজি। উচ্চতা ৭৪-৮৮ সেমি। মাদি চিংকার অপেক্ষাকৃত ছোট।
চিংকারের প্রধান বৈশিষ্ট এটি রং বদলায়। বর্ষার শেষে পুরুষ চিংকারের রং থাকে কালো। কিন্তু শীতের সাথে সাথে রং হালকা হতে হতে এপ্রিল নাগাদ বাদামি হয়ে যায়। এমনকী ব্রিটিশদের সময়ে উদয়পুরে ঝাঁকে ঝাঁকে চিংকার দেখ যেত, কিন্তু এখন সেই দৃশ্য বিরল। “এরা ঘন জঙ্গলের প্রাণী নয়, সমতলে খোলা জায়গা এদের পছন্দ। যেহেতু এ ধরণের জায়গা দ্রুত মানুষের দখলে চলে যাচ্ছে, ফলে এরা বিপদে পড়েছে”। দুশ বছর আগে যেখানে ভারতে এই হরিণের সংখ্যা ছিল ৪০ লাখের মত, ২০১০ সালে সেটি নেমে আসে মাত্র ৫০হাজারে । ফলে, চিংকার শিকার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভারতে।

সালমানের যত বিতর্কিত ঘটনা

তিন দফায় পাঁচটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা : ১৯৯৮ সালের ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়; সিনেমার শুটিং করতে রাজস্থান গিয়েছিলেন সালমান খান। তার সঙ্গে সাইফ আলী খান, সোনালি বেন্দ্রে, টাবু এবং নীলমও ছিলেন। শুটিংয়ের সময় যোধপুরের কাছে কানকানি গ্রামে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২৮ সেপ্টেম্বর ও ২ অক্টোবর- এই তিন দফায় মোট পাঁচটি হরিণ শিকার করেছিলেন তিনি। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার সালমানকে পাঁচ বছরের জেল ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে যোধপুর আদালত।
মধ্যপ অবস্থায় গাড়িচাপা দিয়ে পথচারীকে হত্যা: এটি ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনা। বান্দ্রার হিল রোডে মধ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে এক পথচারীকে চাপা দেন সালমান খান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির।
ওই ঘটনায় আহ হন আরও চার ব্যক্তি। এমন ঘটনায় মামলা হয় সালমানের বিরুদ্ধে। কিন্তু উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে সে সময় সালমানকে বেকসুর খালাস দেয় মুম্বাই আদালত। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৫ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে মহারাষ্ট্র সরকার। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন।
ঐশ্বরিয়াকে ধাক্কা মেরেছিলেন সালমান : নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সালমান খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড নায়িকা ঐশ্বরিয়া রাইয়ের। কিন্তু সালমানের উগ্রতা এবং বদমেজাজের কারণে ২০০০ সালের পর থেকেই তাদের মধ্যে দুরত্ব বাড়তে থাকে।
প্রেমিককে কয়েকবার শোধরানোর সুযোগ দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু উল্টো ২০০৩ সালে কোনো একটি কারণে ‘কুছ না কাহো’ ছবির সেটে ঢুকে ঐশ্বরিয়াকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন সালমান।
অভিযোগ, ঐশ্বরিয়াকে ধাক্কা মেরেছিলেন তিনি। ব্রেক আপ হয়ে যায় তাদের। এমনকি, সম্পর্ক ভাঙার পরও নাকি সালমান তাকে নানাভাবে হেনস্তা করেছেন। এজন্য ঐশ্বরিয়ার পরিবার সালমানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও করেছিলেন।
পাকিস্তানি প্রেমিকার মাথায় বোতল ভেঙেছিলেন সালমান : প্রচলিত আছে, ক্যারিয়ারের গোড়ার দিকে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার আগে এক পাকিস্তানি নায়িকার সঙ্গে প্রেম করতেন সালমান খান। ওই নায়িকার নাম সোমি আলি। কোনো একটি কারণে একদিন এই সোমির মাথায় নাকি আস্ত একটা কোকাকোলার বোতল ভেঙেছিলেন সালমান খান।
অবশ্য এই ঘটনা আড়ালেই রয়ে গেছে। কেননা, তখন নাকি সালমানের প্রাক্তন প্রেমিকা সোমি নিজেই চেয়েছিলেন ঘটনা প্রকাশ্যে না আসুক।
বেআইনিভাবে হরিণ শিকারের অভিযোগ : ১৯৯৮ সালে যে অস্ত্র ব্যবহার করে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন সালমান খান সেটি ছিল বেআইনি। লাইসেন্সের মেয়াদ ছিল না সেটির।
যার কারণে সে সময় হরিণ হত্যার মামলার পাশাপাশি বেআইনি অস্ত্র রাখার জন্য আলাদা আরও একটি মামলা হয় জনপ্রিয় এই অভিনেতার নামে। অবশ্য প্রমাণের অভাবে ২০১৭ সালে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি পান বলিউড ভাইজান।
অভিনেতা বিবেক ওবেরয়কে খুনের হুমকি : সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পরে অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম শুরু করেন ঐশ্বরিয়া। এই বিবেককে নাকি ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রেমিক সালমান। মৌখিকভাবে কোনো অনুষ্ঠানে নয়, সালমানের বিরুদ্ধে বিবেক ওবেরয় এমন অভিযোগ তুলেছিলেন একেবারে সংবাদ সম্মেলন ডেকে। ঐশ্বরিয়াকে নিয়েই সালমানের সঙ্গে তার সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল বলে অনেকের ধারণা। সে সময় সাংবাদিকদের সামনে বিবেক অভিযোগ করেন, শুধু ঐশ্বরিয়াকে হেনস্তা নয়, তাকেও খুনের হুমকি দিয়েছেন সালমান।
নানা সময়ে ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরা কেড়ে নেয়া, চড় থাপ্পড় মারা, পার্টিতে সহশিল্পীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ভক্তদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করার জন্য দেহরক্ষীকে চড় মারা থেকে শুরু করে ছোটখাটো বহু কারণেই বিতর্কিত সালমান খান।

বলিউডের যে তারাকারা জেলে গিয়েছিলেন

‘আশিকি টু’ ছবির অঙ্কিত তিওয়ারি কারাগারে : ‘আশিকি টু’ ছবির ‘সুন রাহা হ্যায় না তু’ গানের শিল্পী অঙ্কিত তিওয়ারিকে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এক নারী বন্ধুকে ধর্ষণের দায়ে তাঁকে কারাগারে ঢুকতে হয়েছিল।
ধর্ষণের দায়ে কারাগারে ছিলেন ইন্দ্র কুমার : প্রয়াত অভিনেতা ইন্দ্র কুমার ধর্ষণের দায়ে কারাগারে গিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে তাঁর এক বান্ধবী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, সিনেমায় অভিনয় করার লোভ দেখিয়ে ইন্দ্র তাঁকে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে আটকে রাখেন ও ধর্ষণ করেন।
একে-৫৬ রাইফেল এর জন্য সঞ্জয় দত্তের কারাদ- : একটি একে-৫৬ রাইফেল অবৈধভাবে রাখার দায়ে সন্ত্রাসবিরোধী টাডা আইনে গ্রেপ্তার হন বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্ত। ২০০৬ সালে এ মামলায় তাঁর ছয় বছর কারাদন্ড হয়। অবশ্য চার বছরের কম সময়ের মধ্যেই মুক্তি পান এই নায়ক।
বাইক দুর্ঘটনায় জেলে যান জন আব্রাহাম : জন আব্রাহামকেও কারাগারে কাটাতে হয়েছিল কিছু সময়। ২০০৬ সালে বাইক দুর্ঘটনায় দুজন ব্যক্তিকে আহত করার সাজা হিসেবে কারাগারে নেওয়া হয় তাঁকে।
ধর্ষণের অভিযোগে জেলে যান সাইনী আহুজা : নিজের গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে নায়ক সাইনী আহুজাকে জেলে থাকতে হয়েছে। মুম্বাইয়ের আর্থার রোড কারাগারে বন্দী ছিলেন তিনি।
মাদক কেনার দায়ে জেলে যান ফারদিন খান : ‘প্যায়ার তুনে ক্যায়া কিয়া’ ছবির নায়ক ফারদিন খান। মাদক কেনার সময় হাতেনাতে ধরা পরায় পাঁচ দিন কারাগারে ছিলেন তিনি।
কভার ফটোর জন্য জেল হয় নায়িকা সোনালী বেন্দ্রের : একটি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে অশালীন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করায় জেল হয়েছিল সোনালী বেন্দ্রের। কিছু মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগায় এই নায়িকার জেল হয়। অল্প সময়ের মধ্যে জামিন পেয়ে যান তিনি।
হোটেলে মারামারি জন্য কয়েদী হয় সাইফ আলী খান : মুম্বাইয়ের তাজ হোটেলে এক ব্যক্তিকে মারধর করার অভিযোগে সাইফ আলী খানের জেল হয়েছিল। ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কারিনা কাপুর খান ও মালাইকা অরোরা। অল্প সময়ের জন্য হলেও ছোট নবাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন কয়েদী হওয়ার যন্ত্রণা।
প্যান্টের বোতাম খোলার জন্য জেলে যান অক্ষয় কুমার : বিচিত্র এক কারণে জেল হয়েছিল নায়ক অক্ষয় কুমারের। একবার ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে সবার সামনে স্ত্রী টুইংকেলকে দিয়ে নিজের প্যান্টের বোতাম খোলানোর জন্য তাঁকে জেলে নেওয়া হয়।
চেক প্রত্যাখ্যান মামলায় জেলে যান সুনীল শেঠি : একটি টেলিকম কোম্পানির পরিচালক ছিলেন সুনীল শেঠি। ওই সময় ব্যাংকে একটি চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মামলায় তাঁকে হাজত বাস করতে হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত