শিরোনাম

চাঁদনী চাঁদের দেশে

জিয়া উল ইসলাম  |  ০৩:০৮, মার্চ ০৩, ২০১৮

লোকসঙ্গীত শিল্পী ফিরোজ সাঁই এর গাওয়া এক সেকেন্ডের নাই ভরসা/ বন্ধ হইবে রঙ তামাশা/ চক্ষু মুদিলে; হায়রে দম ফুরাইয়ে -যতই ক্ষমতা , যশ খ্যাতি জনপ্রিয়তা , টাকা সম্পদ থাকুন না কেন গানের কথাটি চিরসত্য। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যেতে নাহি দিব’ হায় তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায়। সম্প্রতি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন নায়িকা শ্রীদেবী, তাকে যেতেই হলো সব কিছু ছেড়ে আবার আমরা তাকে ধরে রাখতে পারলাম না এবার সেই শ্রীদেবীকে নিয়ে লিখেছেন জিয়া উল ইসলাম


স্থানীয় নাম : শ্রীদেবী
জন্ম : শ্রী আম্মা ইয়াঙ্গের আয়্যাপান
১৩ আগস্ট ১৯৬৩
শিবাকাসি, তামিলনাড়, ভারত
মৃত্যু : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ (৫৪ বছর)
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
জাতীয়তা : ভারতীয়
নাগরিকত্ব : ভারত
পেশা : অভিনেত্রী, প্রযোজক
আদি শহর : মুুম্বাই
ধর্ম : হিন্দুধর্ম
দাম্পত্য সঙ্গী স্বামী
মিঠুন চক্রবর্তী (বিয়ে : ১৯৮৫-১৯৮৮)
বনি কাপুর (বিয়ে ১৯৯৬)
সন্তান : জাহ্রবী কাপুর, খুশি কাপুর
আত্মীয় : অর্জুন কাপুর (সৎ ছেলে)
অনশুলা কাপুর (সৎ মেয়ে)
অনিল কাপুর (ভাসুর)
সঞ্জয় কাপুর (ভাসুর)
পুরস্কার: পদ্মশ্রী (২০১৩)


 

শ্রীদেবী একটি ইতিহাস

শ্রীদেবী কাপুর, জন্ম নাম শ্রী আম্মা ইয়াঙ্গের আয়্যাপান। একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী যিনি তামিল, তেলুগু, হিন্দি, মালয়ালম এবং কিছু সংখ্যক কন্নড় চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। শ্রীদেবী হিন্দি চলচ্চিত্রে প্রথম নারী সুপারস্টার হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকেন।
শ্রীদেবী তামিলনাডুতে ১৯৬৩ সালের ১৩ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন আইনজীবী। তার এক বোন ও ২ সৎ ভাই আছে। ১৯৯৬ সালে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজক বনি কাপুরকে বিয়ে করেন। তাদের দুই মেয়ে জানভি এবং খুশি।
তবে অনেক সূত্র জানা যায় যে, শ্রীদেবী’র সাথে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে এ সম্পর্ক বজায় ছিল যা শ্রীদেবী পরবর্তীতে সম্পর্ক ছেদ করেন। এর প্রধান কারণ ছিল -প্রথম স্ত্রী যোগীতা বালীকে মিঠুন কর্তৃক বিবাহ-বিচ্ছেদ না ঘটানো। তাঁরা অত্যন্ত গোপনে বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায়, যদিও তা পরবর্তীতে অস্বীকার করা হয়।
১৯৭৯ সালে সোলভা সাওয়ান চলচ্চিত্র দিযে শ্রীদেবীর হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেক হয। চার বছর পর তিনি জিতেন্দ্রর বিপরীতে হিম্মতওয়ালা চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হন। চলচ্চিত্রটি ১৯৮৩ সালে মুক্তি পায় এবং সে বছরের অন্যতম সেরা ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে। হিম্মতওয়ালা চলচ্চিত্রের ন্যায়নোঁ মেঁ সাপনা” গানটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই চলচ্চিত্রের সাফল্যের ফলে শ্রীদেবী বলিউডে প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর মর্যাদা লাভ করেন এবং তার বিখ্যাত “থান্ডার থাইস” উপনাম অর্জন করেন।
১৯৮৩ সালে সাদমা চলচ্চিত্রটি দিয়ে শ্রীদেবী সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন। এটি তার অভিনীত তামিল চলচ্চিত্র মুন্দ্রাম পিরাই চলচ্চিত্রের বলিউডি পুননির্মাণ। সাদমা চলচ্চিত্রটি আইডিভা তালিকায় স্থান করে নেয়। পরের বছর তার অভিনীত তোহফা মুক্তি পায় এবং ১৯৮৪ সালের অন্যতম হিট চলচ্চিত্রের তকমা লাভ করে। এই চলচ্চিত্র দিযে তিনি বলিউডের অন্যতম সেরা প্রধান চরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিন তাকে তাদের প্রচ্ছদে ‘প্রশ্নাতীতভাবে ১ নম্বর’ বলে অভিহিত করে।
১৯৮৩ থেকে ১৯৮৮ সালের মধ্যে জিতেন্দ্র ও শ্রীদেবী জুটি একত্রে ১৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যার মধ্যে ১৩টি হিট এবং ৩টি ফ্লপ হয়। হিট চলচ্চিত্রসমূহ হল হিম্মতওয়ালা, জানি দোস্ত (১৯৮৩), জাস্টিস চৌধুরী (১৯৮৩), মাওয়ালী (১৯৮৩), আকালমন্দ (১৯৮৪), বলিদান (১৯৮৫), সুহাগন (১৯৮৬), ঘর সংসার (১৯৮৬), ধর্ম অধিকারী (১৯৮৬), অউলাদ (১৯৮৭), সোনে পে সুহাগা (১৯৮৮)। ৩টি ফ্লপ চলচ্চিত্র হল সারফারোশ (১৯৮৫), আগ অউর শোলা (১৯৮৬) ও হিম্মত অউর মেহনত (১৯৮৭)।
শ্রীদেবী রাজেশ খান্নার সাথে জুটি বেঁধেও সফল ছিলেন। এই জুটির উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল নয়া কদম (১৯৮৪), মকসদ (১৯৮৪), মাস্টারজি (১৯৮৫) এবং নজরানা (১৯৮৭)।
১৯৮৬ সালে শ্রীদেবীকে সর্প বিষযক কাল্পনিক চলচ্চিত্র নাগিনায় অভিনয় করতে দেখা যায়। এতে তিনি “ইচ্ছাধারী নাগিন” চরিত্রে অভিনয় করেন, যে সাপ থেকে নারীতে পরিণত হতে পারে। এটি ছিল সে বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র এবং বক্স অফিস ইন্ডিয়া তাকে ‘অবিসংবাদিত এক নম্বর’ বলে অভিহিত করে।
ইয়াহু! ছবিটিকে অন্যতম সেরা সর্প বিষয়ক কাল্পনিক চলচ্চিত্র বলে উল্লেখ করে। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার “শীর্ষ ১০ সর্প বিষয়ক হিন্দি চলচ্চিত্র’ তালিকায় নাগিনা ছবিটি অন্তর্ভুক্ত হয। শ্রীদেবীর ‘মেঁ তেরি দুশমন” গানের নৃত্য বলিউডের
অন্যতম সেরা সর্প নৃত্য বলে উল্লেখ করে দেশি হিট্?স লিখে, ‘এটি শ্রীদেবীর অন্যতম সেরা প্রতীকী নৃত্য... যা এখনো ভক্তদের গায়ের লোম দাঁড় করিয়ে দেয় ।
নাগিন ছাড়াও ১৯৮৬ সালে শ্রীদেবী অভিনীত সুভাষ ঘাই পরিচালিত কর্ম এবং ফিরোজ খান পরিচালিত জানবাজ চলচ্চিত্র বক্স অফিসে হিট হয়। সিএনএন-আইবিএন বলিউড ব্লকবাস্টার অনুসারে, শ্রীদেবীর জনপ্রিয়তা এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে জানবাজ চলচ্চিত্রে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেও তিনি ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনেত্রী ডিম্পল কাপাডিয়াকেও ছাড়িয়ে যান। শ্রীদেবী ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়াারি দুবাইয়ের জুমেইরাহ এমিরেটস টাওয়ারের বাথরুমের বাথটাবের পানিতে দম আটকে মৃত্যুবরণ করেন।

শ্রীদেবীর সেরা ১০ চলচ্চিত্র

সাদমা
বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্রীদেবী অভিনীত সেরা ছবি সাদমা। এই ছবিতে তার চরিত্রের নাম নেহালতা। ছবিতে কমল হাসানের সঙ্গে অভিনয় করেন শ্রীদেবী। ওই বছর ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

নাগিনা
শ্রীদেবীর দ্বিতীয় সেরা ছবি ‘নাগিনা’। হরমেশ মালহোত্রার এই ছবিতে শ্রীদেবী প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতে তার নাচ এখনো দর্শকদের মুগ্ধ করে।

মিস্টার ইন্ডিয়া
শ্রীদেবীর তৃতীয় সেরা ছবি মিস্টার ইন্ডিয়া। এই ছবিতে অনিল কাপুরের সঙ্গে অভিনয় করেন শ্রীদেবী। ছবির হাওয়া হাওয়াই আর কাটে নেহি কাট তে গান এখনো সমান জনপ্রিয়।

চাঁদনি
যশ চোপড়ার চাঁদনি ছবিতে শ্রীদেবী অভিনয় করেন বিনোদ খান্না আর ঋষি কাপুরের সঙ্গে। এই ছবির জন্য বলিউডে তিনি শীর্ষ নায়িকার সম্মান পান।

চালবাজ
‘চালবাজ ছবিতে শ্রীদেবী দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন। তাদের একজন ভদ্র-নম্র অঞ্জু আর অন্যজন খুবই দুরন্ত মঞ্জু। শ্রীদেবী এই ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা নায়িকার পুরস্কার পান।

লামহে
‘লামহে ছবিতেও দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন শ্রীদেবী। একজন মা আর অন্যজন মেয়ে। যশ চোপড়ার এই ছবিতে শ্রীদেবীর বিপরীতে ছিলেন অনিল কাপুর। এ ছবিতে হিন্দি ছবির সেরা রোমান্টিক ছবির একটি হিসাবে ধরা হয়। তাই লামহে শ্রীদেবীকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।

খুদা গাওয়া
অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে খুদা গাওয়া ছবিতেও শ্রীদেবী আবারও মা আর মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতে এক আফগান নারী ছিলেন শ্রীদেবী।

গুমরাহ
অস্ট্রেলিয়ার টিভির মিনি সিরিজ ‘ব্যাংকক হিলটন’ অবলম্বনে মহেশ ভাট তৈরি করেন হিন্দি ছবি ‘গুমরাহ’। ছবিতে শ্রীদেবী একজন সংগীতশিল্পী। মাদক পাচারের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয় তাকে।

জুদাই
১৯৯৭ সালে রাজ কানওয়ার পরিচালিত ‘জুদাই’ ছবিতে শ্রীদেবী প্রচুর অর্থ পাওয়ার লোভে স্বামীকে তার প্রতিষ্ঠানের মালিককে বিয়ে করার অনুমতি দেন। এই ছবির পর ব্যাস্ত জীবনে স্বামী আর সন্তান নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়েন শ্রীদেবী।

ইংলিশ ভিংলিশ
১৫ বছর বিরতির পর এই ছবি দিয়ে বড় পর্দায় ফিরে আসেন শ্রীদেবী। ছবিতে শ্রীদেবী একজন গৃহবধূ। ইংরেজি মোটেই বলতে পারেন না। এর জন্য স্বামী আর সন্তানদের কাছে প্রায়ই কথা শুনতে হয়। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ইংরেজিতে কথা বলার কোর্স করেন তিনি। ছবিটি দারুন ব্যবসাসফল হয়। এই ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার পান শ্রীদেবী।

অভিনেত্রী শ্রীদেবী কত সম্পদের মালিক

ভারতীয় সিনেমা জগৎ এর ‘দেবী’- অভিনেত্রী শ্রীদেবী! বর্ণময় ক্যারিয়ারে করেছেন প্রায় তিনশরও উপর ছবি। নিজের সময়ে একসময় তিনিই ছিলেন ‘হায়েস্ট পেড’ অভিনেত্রী। পুরুষতান্ত্রিক বলিউডে মহিলাদের ‘অধিকার’ ছিনিয়ে নেওয়ার লড়াইয়েও ‘সামিল’ রূপসী অভিনেত্রী। তাকে বলা হতো নায়িকাদের মধ্যে ‘অমিতাভ বচ্চন’। যাই হোক, তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ কিন্তু আকাশছোঁয়া! রুপলি পর্দা থেকে ‘অবসর’ নিলেও প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছিলেন কয়েকবছর আগে ‘ইংলিশ ভিংলিশ’ ছবির মাধ্যমে।
হিন্দি ছাড়াও শ্রীদেবীকে দেখা গেছে তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কানাডা ছবিতে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, স্বামী বনি কাপূর ও শ্রীদেবীর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্র্রায় যার পরিমাণ ২১০ কোটি টাকা।

স্ত্রীকে স্বামীর আবেগঘন চিঠি

বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পরলোকগমন করেন তিনি। হঠাৎ তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ তার পরিবার, বলিউড সহকর্মী ও ভক্তরা। শ্রীদেবীর মৃত্যুতে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছেন স্বামী বনি কাপুর। বনি কাপুর লিখেছেন, ‘একজন বন্ধু, স্ত্রী ও দুই মেয়ের মা হারানোর ক্ষতিটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আমার পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী, শুভাকাঙ্খী ও অসংখ্য শ্রীদেবীর ভক্ত যারা আমাদের পাশে সবসময় ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। আমার সৌভাগ্য অর্জুন কাপুর ও আনশুলার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি। তারা ছিল খুশি, জানভি ও আমার কাছে শক্তির স্তম্ভ। পরিবারের সদস্যরা মিলে এই অসহণীয় ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা করেছি। পুরো দুনিয়ার কাছে সে ছিল চাঁদনি, একজন অসাধারণ অভিনয়শিল্পী। কিন্তু তাদের শ্রীদেবী ছিল আমার ভালোবাসা, বন্ধু, সঙ্গীনী ও দুই মেয়ের মা। আমার মেয়েদের কাছে সে ছিল তাদের জীবনের সবকিছু। তাকে কেন্দ্র করেই আমাদের পরিবারের সবকিছু হতো। খুশি, জানভির মা এবং আমার প্রিয় স্ত্রীকে বিদায় দিয়েছি, আমার আকুল আবেদন, দয়া করে আমাদের একান্তে শোক পালন করতে দিন। যদি শ্রীদেবীকে নিয়ে কিছু বলতে চান তাহলে আপনাদের সঙ্গে তার যে মধুর স্মৃতিগুলো রয়েছে তা বলুন। তার মতো অভিনেত্রী চলে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এ জন্য তাকে সম্মান করুন।
একজন অভিনয়শিল্পীর জীবন কখনো শেষ হয় না। কারণ তারা রুপালি পর্দায় চিরদিন উজ্জ্বল থাকেন। এখন একটাই চিন্তা আমার দুই মেয়ের সুরক্ষা করা এবং শ্রীদেবীকে ছাড়া সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজা। সে ছিল আমাদের জীবন, আমাদের শক্তি এবং হাসির উৎস। তার প্রতি আমাদের ভালোবাসা সীমাহীন। শান্তিতে ঘুমাও আমার ভালোবাসা। আমাদের জীবন আর কখনই আগের মতো থাকবে না।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত