শিরোনাম

ব্রণের চিকিৎসায় ডা. ইমরান হাশমীর ‘চুম্বন’ থেরাপি!!!

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ১৮:০৩, জুন ২০, ২০১৯

টিনএজ-এ ব্রণ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ব্রণের সঙ্গে ত্বকে দেখা দেয় দাগ, গর্ত ও অন্যান্য জটিলতা। দেশে ব্রণের চিকিৎসায় রয়েছে, স্কিন এনালাইসিস, হরমোন এনালাইসিস, বায়োরেসোন্যান্স থেরাপি, এফডিএ এপ্রুভড লেজার’স, পিল অ্যান্ড মেডিকেশনসহ বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে বাংলাদেশের একজন সনামধন্য চিকিৎসক ব্রণের চিকিৎসায় নতুন একটি থেরাপি আবিষ্কার করেছেন।

ব্রণ ও তার প্রতিকারের জন্য ডা. ইমরান হাশমীর রয়েছে বিশেষ চিকিৎসা সেবা ‘চুম্বন’ থেরাপি। এখানে ব্রণের রোগী আসলে ‘চুম্বন’ থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়।

এখানে বলে রাখা ভাল যে চুম্বন থেরাপির মাধ্যমে ইমরান হাশমী সাহেব আরো বেশ কয়েকটি রোগের বা সংক্রমনের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। আসেন আজ ফুর্তির সৌজন্যে ডা. ইমরান হাশমীর ‘চুম্বন’ থেরাপি সেবাগুলো জেনে নেই। লিখেছেন সৈয়দ রেফাত।

নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজ চিকিৎসায় চুম্বন : বিজ্ঞানে একটি শব্দ বেশ পরিচিত। যে রোগ কোনো জীবাণু বহন করে না তাকে নন কমিউনিক্যাবল বা অসংক্রামক রোগ বলে। এমন একটি রোগ হলো স্ট্রোক। মানুষের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্ত স্বল্পতা হলে স্ট্রোক হয়। এর ফলে শরীরের এক পাশ আংশিক বা পুরো অবশ হয়ে যেতে পারে।

স্ট্রোকের ১ম দিন থেকেই ফিজিওথেরাপি শুরু করা উচিত। ধাপে ধাপে রোগীর অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার পরিবর্তন আনতে হবে।

এভাবে ধাপে ধাপে একটি পরিপূর্ণ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পারলে তিন মাস থেকে দুই বছরের মধ্যে বেশির ভাগ রোগী সুস্থ হয়ে যান। তবে ডা. ইমরান হাশমীর যুগান্তকারী আবিষ্কার চুম্বন থেরাপিতে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যেতে পারেন।

বি: দ্র: এই থেরাপি শুধু নারী রোগীদের জন্য প্রযোজ্য।

সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা : একটা সময় ছিলো সাপে কামড়ালে ওঁঝার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক দিয়ে বিষ নামানো হতো। আধুনিক চিকিৎসায় অ্যান্টিভেনম সিরাম বা সর্পবিষনাশী সিরাম (যেমন হফকিনস পলিভ্যালেন্ট অ্যান্টিভেনম) ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োজনে রোগীকে টিটেনাস বা ধনুষ্টঙ্কারের প্রতিষেধকও দিতে হয়। কিন্তু বিখ্যাত চিকিৎসক ইমরান হাশমী সাপে কামড়ানো রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহার করেন ‘চুম্বন’ থেরাপি। এ থেরাপির মাধ্যমে তিনি বিষধর সব সাপের বিষ নামিয়ে থাকেন।

পানিতে পড়া নারী রোগী : কেউ পানিতে ডুবে গেলে তার চিকিৎসায় এখন নতুন মাত্র যোগ করেছেন ডা. ইমরান হাশমী। তিনি এখন আর পেটে চাপ দিয়ে পানি বের করেন না। এ ধরণের রোগী হলে প্রথমেই চিৎ করে শুইয়ে দেন। তার পর ‘চুম্বন’ থেরাপির মাধ্যমে পেটে থাকা সব পানি বের করে রোগিকে সুস্থ করে তোলেন।

মাদকাসক্ত তরুণীর চিকিৎসা : দেশে মহামারী রূপ নিয়েছে ক্রেজি ড্রাগ ইয়াবা। মাদকাসক্তদের মধ্যে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উপযুক্ত চিকিৎসা ও পুর্নবাসনের মাধ্যমে মাদকাসক্তকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়। তবে এ পদ্ধতিতে আবারো মাদকাসক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কিন্তু ডা. ইমরান হাশমীর ‘চুম্বন’ থেরাপিতে শতভাগ সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে। এখানে ইয়াবার বড়ির বদলে প্রতিদিন নিয়ম করে চুম্বন দেয়া হয়। যাতে করে ইয়াবা আসক্তি থেকে একসময় চুম্বনাসক্ত হয়ে পড়ে ডা. ইমরান হাশমীর কাছে আসা তরুণীরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত