শিরোনাম

স্বপ্নবাজ বালিশ ভাই

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ১৪:৫৭, মে ২৭, ২০১৯

এক বালিশে উত্তাল দেশ! কি দেশ, কি বিদেশ!শিক্ষিত যুবকরা চাকুরী খোঁজার চেষ্টা ছেড়ে বালিশ কাঁদে নিচ্ছে, আবার কেউ দেশের বাইর থেকে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল করতে নিজ দেশে চলে আসছে। এতে সবার বউ খুশি! আবার কারো গার্লফ্রেন্ডও। আর সঙ্গে খুশি আমাদের বালিশ ভাইও।

বহু চেষ্টার পর অবশেষে তাঁর উদ্ভাবনী বিশ্লেষণী আবিস্কার সফল। তিনি এখন তরুণ প্রজন্মের কাছে এক স্বপ্নবাজ পুরুষ। এক বালিশের কর্মই হতে পারে আগামীর ভবিষ্যৎ। যিনি আমাদের স্বপ্ন কর্মের পথ দেখিয়েছেন আসুন আমরা সবাই মিলে সেই বালিশ ভাইকে দিল দিয়ে বুঝি। বালিশ ভাইয়ের মনে লুকিয়া থাকা কথা গুলো ধরে ধরছেন-আবদুর রহিম

একটি বাসর অপূর্ণতা
সে রাতে যন্ত্রণা এখনো তাঁর বুকে। খাট সাজলো বিছানা সাজলো শুধু একটা বালিশ আসলো না। কতক্ষণ তাহাঁর উপর মাথা রাখা যায়। সময় শেষে অবশ্যই বিশেষ জিনিস; একটা বালিশের প্রয়োজন। সে দিনের বালিশ অপূর্ণতা এখনো তাঁকে মানসিক যন্ত্রণায় রেখেছে। সেই উপলব্ধি থেকে একমাত্র তিনি আমাদের নিয়ে ভাবছেন। এক বালিশের কত প্রয়োজন তিনি আমাদের মন দিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। আমরা তা দিল দিয়ে বুঝলেই হবে। রূপপুর যাই, আর ওই পল্লিতে যাই , যেখানেই যাই, দাম একটু বেশি হলেও বালিশ সঙ্গে নিয়ে যাই...

গার্লফ্রেন্ডর বকুনি
শক্ত বালিশে শুয়ে সারারাত গার্লফ্রেন্ড সাথে কথা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা নাড়া যায় না। অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে যাওয়া। দিনশেষে বন্ধুরা টেনেহেঁচড়ে হাসপাতালে ভর্তি। তিনদিন গার্লফ্রেন্ডর সঙ্গে কোনো কথা নেই। একটু স্বস্তির পর জান্টুসের সঙ্গে ফের আলাপ। বের হয়ে আসলো গোপন তথ্য!যে বালিশে শুয়ে কথা বলেছে তা মুলত ফুটপাত থেকে ৩০ টাকায় কেনা! তো আর কি শুরু হয়ে গেল গার্লফ্রেন্ডর অপ্রত্যাশিত বকুনি। অবশেষে একটা নরম বালিশ তাহাঁর থেকে উপহার...

ইন্টারভিউ খারাপ
গভীর রাতে বন্ধুদের হানা। হাতছাড়া হলো স্বপ্নের বালিশ। আক্রমণ আসলো ঘুমে। নির্ঘুম প্রস্তুতি নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত। বিজ্ঞরা প্রশ্ন করছেন আর তিনি জিমাচ্ছেন। একটা বালিশ আর স্বস্তির ঘুমের অভাবে খারাপ হলো ইন্টারভিউ। একটুর জন্য হাত ছাড়া হয়ে গেল চাকুরীটা। তাই আমাদের উচিৎ কাউকে যন্ত্রণা না দিয়ে কারো বাড়ীতে/বাসায় যাওয়ার আগে হাতে করে একটা স্বস্তির বালিশ সঙ্গে নিয়ে যাওয়া।

ইন্টার্নশিপ অভিজ্ঞতা ভালো
ঘুম ছাড়া লাইফ অচল, জীবনও চলে না। কাউকে খুশি করা যায় না।৬৫ বয়সে এসে তাঁর ঘুমের অভিজ্ঞতা অনেক ভালো। বসকে খুশি করতে সুন্দর হাসি প্রয়োজন। সুন্দর মুভমেন্ট প্রয়োজন। আর এটি আমনাআমনি আসে না। এজন্য দরকার প্রচুর ঘুম। আর ঘুমের অনন্য শর্ত হলো বালিশ।

সব কিছুতে ভেজাল
কয়েল জ্বলছে! ধোঁয়া উঠছে। কিন্তু মশা মরে না। সারারাত মশার কামড়!কয়েল থেকে শুরু করে সব কিছুতে ভেজাল। অন্তত একটা আরামদায়ক বালিশই হতে পারে ভেজালমুক্ত। যে আপানাকে শান্তি দেবে। স্বস্তির ঘুম দেবে। হোক না তাতে একটু খরচ বেশী তাতে কী... সব শান্তি আর কি টাকা দিয়ে মাপা যায়।

নারীদের বিশেষ চাহিদা
তিনি বউকে অনেক বেশী ভালোবাসেন।সব চাহিদাই পূরণ করেন। দুর্ভাগ্যজনক হলো চলমান বালিশে আর চলছে না। বউয়ের চাহিদা বাড়লো। প্রয়োজন একটা বিশেষ বালিশ। তো আর কি পছন্দের স্বামী হওয়ার জন্য বিশেষ বালিশ আনতেই হয়। তিনি বুঝেছেন, জেনেছেন! নারীদের বিশেষ চাহিদা একটি বালিশেই হতে পারে। তাই সকলকে বালিশ অভিজ্ঞতা এখন থেকেই নিতে হবে।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত