শিরোনাম:
amar-sangbad-logo বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ পরিত্যক্ত        amar-sangbad-logo ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ সমাপ্ত ঘোষণা        amar-sangbad-logo দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলি করে বাংলাদেশিকে হত্যা         amar-sangbad-logo বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য ‘কৌশলগত আলোচনায়’ সমঝোতা চুক্তি সই        amar-sangbad-logo ১০ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ প্রকল্পের অনুমোদন        amar-sangbad-logo শিক্ষক লাঞ্ছনা : মামলার মুখে নারায়ণগঞ্জের এমপি সেলিম ওসমান        amar-sangbad-logo চট্টগ্রামে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ডে জঙ্গি দম্পতি        amar-sangbad-logo ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ কলেজ প্রিন্সিপাল-শিক্ষকরাও জড়িত        amar-sangbad-logo প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসএ্যাপে        amar-sangbad-logo ‘একুশ’ যাবে কার জিম্মায়, সে আদেশ বুধবার         amar-sangbad-logo প্রতিবন্ধিতা ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ২য় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ডিসেম্বরে       

প্রাথমিকের ৬০ লাখ বই অাসবে কবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮:৫৯, জানুয়ারি ০৬, ২০১৭

 সারাদেশে নতুন বছরের প্রথমদিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হয়। তবে এখনো দেশের কিছু কিছু স্থানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্পূর্ণ বই তুলে দিতে পারেনি অনেক প্রাথমিক স্কুল। ফলে দুই বা তিনটি বই নিয়েই শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এখন সবার মাঝে ঘুরেফিরে একটাই প্রশ্ন এই নতুন বইগুলো আসবে কবে? এরজন্য ঠিকমত ক্লাশেও মনোযোগ দিতে পারছে ওইসব এলাকার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের ৯৮ লটের মধ্যে ১৬ লটে ১ কোটি ৮০ লাখ বই ছাপার কাজ পায় ভারতীয় প্রতিষ্ঠান। বাকি বই দেশে তৈরি করা হয়। ইতোমধ্যে ভারত থেকে ১ কোটি ২০ লাখ বই পাঠানো হয়েছে। ৬০ লাখ বই এখনো ভারত থেকে আসেনি। অনেকের অভিযোগ এনসিটিবির দায়িত্ব অবহেলা আর খামখেয়ালিতে ভারতে আটকে আছে বিনামূল্যের এসব বই।

তবে এনসিটিবি সূত্র জানিয়েছে, অপ্রত্যাশিতভাবে ভারতে কিছু বই আটকে গেছে। প্রক্রিয়াজনিত কারণে বন্দরে ভারত থেকে আসা বেশকিছু বই আটকে গেছে। শিগগিরই এসব বই খালাস করা হবে।

এদিকে নতুন পাঠ্যপুস্তকের ঘাটতি থাকায় চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগের প্রায় সব স্কুলের শিক্ষার্থীদের দুই বা তিনটি করে বই দেয়া হয়। ফলে তাদের কাছে বই উৎসবের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। সময়মতো বই না পাওয়ায় ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম বলেও জানান শিক্ষকরা।

উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষে মোট বইয়ের মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের কাগজসহ ৯ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৫৩টি বই ছাপার জন্য ৬৫ লটে ৩৮ জন ঠিকাদার কাজ পেয়েছেন। কাগজ ছাড়া ৭ কোটি ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮১৫টি বই ৪১ লটে ২৫৭ জন ঠিকাদার কাজ করছেন। ইবতেদায়ি ও দাখিলের ৫ কোটি ৭১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৮৫টি বই ১৪৫ লটে ৭১ জন ঠিকাদার কাজ করছেন।

কারিগরির ৬ লাখ ৯ হাজার ২১১টি বই, ব্রেইল পদ্ধতির ৯ হাজার ৭০৩টি বই ১৪ জন দেশীয় ঠিকাদার বই ছাপার কাজ পেয়েছেন। দরপত্র ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১২ কোটি টাকা। এসব বই ছাপার জন্য মার্চ মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২৩ জুলাই বই ছাপার জন্য কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী বই ছাপার জন্য ২০ লাখ মেট্রিক টন কাগজ কিনে ঠিকাদারদের সরবরাহ করবে এনসিটিবি।

এছাড়া প্রাক-প্রাথমিকের এক কোটি এক লাখ ৫ হাজার ৮৩২ কপি এবং প্রাথমিকের (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন) ১০ কোটি ৫২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৭ কপি ছাপার কার্যাদেশ দেয় এনসিটিবি। এর মধ্যে প্রাথমিকের ৯৮ লটের মধ্যে ১৬ লটে ১ কোটি ৮০ লাখ বই ছাপার কাজ পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান। বাকি বই ছাপার কাজ পেয়েছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান।



 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
close-icon