শিরোনাম

২য় দিনের মতো অবস্থান ধর্মঘটে জাতীয়করণ বঞ্চিত শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৫:৪৩, জুন ১৭, ২০১৯

বাংলাদেশ বে-সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মধ্য থেকে বাদপড়া বিদ্যালয়সমূহ জাতীয়করণের ১দফা দাবিতে ২য় দিনের মত অবস্থান কর্মসূচি চলছে।

রোববার (১৬ জুন) থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনের সভাপতি মামুনুর রশিদ খােকনের নেতৃত্বে অবস্থান ধর্মঘট শুরু হয়। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে হাজার হাজার বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অংশ নিয়েছেন।

সংগঠনের এক বিবৃতি বলা হয়, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘােষণা দিয়ে জাতির পিতার মত আরও একটি ইতিহাস রচনা করেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, জাতীয়করণকালীন ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান করা হয়েছিলাে তার সংখ্যা যথাযথ না হওয়ায় জাতীয়করণযােগ্য আরাে কিছু সংখ্যক বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকগণ জাতীয়করণ হতে বঞ্চিত হয়।

তৃতীয়ত ধাপের বিদ্যালয় সমূহের ক্ষেত্রে ২৭ মে ২০১২ইং তারিখের পূর্বে স্থাপিত ও পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদনকত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘােষণায় উল্লেখিত ৩য় ধাপের বিদ্যালয়গুলাের সমপর্যায়ে যােগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তৎকালিন কিছু কর্মকর্তা কর্মস্থলে না থাকায়, সকল শর্ত পূরণ করার পরও বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়নি।

নেতারা বলেন, জাতীয়করণ কালিন পাঠদানের অনুমতি ও রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম স্থগিত করায়, আমরা বেতন-ভাতা সুবিধা ও ছাত্র-ছাত্রী উপবৃত্তি, টিফিন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। আমাদের দাবীকৃত বিদ্যালয়সমূহ ধারাবাহিকভাবে ২০০৯-২০১৮সাল পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আসছে।

এছাড়া ২৬,১৯৩টি বিদ্যালয়ের তালিকার বাহিরে পার্বত্য অঞ্চলের ইউএনডিপি পরিচালিত ২১০টি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় জাতীয়করণ করেন।

তারা বলেন, আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। কোন প্রকার সহিংসতা বা কারাে প্ররােচনায় নয়। আমরা দীর্ঘ বছরের পর বছর বিনা বেতনে বিদ্যালয়সমূহে কর্মরত থেকে এদেশের শিশুদের পাঠদান করিয়ে আসছি। আমাদের অনেক শিক্ষক ইতােমধ্যে চাকরির বয়সমীমা হারিয়েছে। বিদ্যালয়সমূহে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষকদের অন্যত্র চাকরির আবেদনের বয়স সীমা নেই। এতে আমরা সংসার জীবনে চরম সংকটের মুখে পড়ছি।

তারা বলেন, এ অবস্থা থেকে কেবল আমরা মানবতার জননী, উন্নত রাষ্টের সপ্নদ্রষ্টা, যিনি ২৬,১৯৩টি বিদ্যালয়ের ১,০৪,৭৭২ জন শিক্ষকের মুখে অন্য তুলে দেয়, যিনি ৭ লক্ষ্য রহিঙ্গাকে বুকে টেনে নিয়ে মায়ের মমতায় আশ্রয় দেয়, যিনি নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন, তার মাধ্যমেই উত্তরণ পেতে পারি।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত