শিরোনাম

বিষাক্ত সাপগুলোকে গিলে খায় এরা

ইমাম ইমু, চবি প্রতিনিধি  |  ২৩:৫৮, এপ্রিল ১৫, ২০১৯

নিজেকে রক্ষা করার জন্য একটি সাপকে মেরে উঠোনে ফেলে রাখার ঘন্টা খানেক পরেই আরেকটি সাপ মৃত সাপটিকে খেতে আসে। বাসার মালিক দেখে সাপুড়ে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক শিক্ষার্থী খবর দিলে তিনি এসে সাপটিকে ধরে রিচার্স সেন্টারে সংরক্ষিত করে রাখেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধার সময় এমনটিই ঘটেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রকৌশলী দপ্তরের পাশে একটি বাসায়।

বাসার মালিক আব্দুস সালাম জানান, দায়িত্ব পালন করে দুপুরে বাসায় খেতে আসলে দেখি যে ঘরের আসবাবপত্রগুলো নড়াচড়া করছে। বিড়াল মনে করে ঘরের ভিতরের রুমের দিকে যেতে লাগলে উপর থেকে একটি দাড়াশ পড়ে। নিজেকে রক্ষা করার জন্য তিনি সাপটাকে মেরে উঠোনের ফেলে রাখে। তার ঘন্টা খানেক পরেই দাড়াশ সাপটাকে খেতে আসে শংকিনি সাপ নামে আরেকটি সাপ।

আব্দুস সালাম এ অবস্থা দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী রফিককে খবর দেয়। তারপর রফিক ঘটনাস্থলে এসে সাপটিকে ধরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের আওতায়'ভেনম রিচার্স সেন্টার' যেখানে সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরীর জন্য গবেষণা পরিচালতি হয় সেখানে সংরক্ষিত করেন।

রফিক বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে কেউ কোথাও সাপ দেখলে না মেরে আমাকে খবর দেবেন। সাপ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটাকে না মেরে সংরক্ষিত করে রাখা যায়।

চিকিৎসকদের মতে এ সাপগুলো সহজে মানুষকে কামড়ায় না। বিশেষ মূহুর্ত ছাড়া এরা কামড় দেয়না। এ সাপগুলো উপকারী। এরা গুলো যে এলাকায় থাকে অন্যান্য বিষদর সাপ সে এলাকায় থাকেনা। আশেপাশে যত বিশাক্ত সাপ আছে সেগুলোকে এ সাপ গিলে খায়।

এ সাপ গুলো নড়াচড়া করে খুব কম। যদি কাউকে কামড় দেয়। চিকিৎসা না নিলে তিন চার ঘন্টার মধ্যে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত