শিরোনাম

টানা বিক্ষোভে পোশাক খাতে অচলাবস্থা

দ্রুতই সমাধানে যাচ্ছে সরকার
প্রিন্ট সংস্করণ॥ এনায়েত উল্লাহ  |  ০২:৪৫, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

*বেতনের অসঙ্গতি দূর করতে চলছে আন্দোলন’
*প্রথম বৈঠকে মজুরি কাঠামোর মূল সমস্যা চিহ্নিত
*‘নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই সমস্যার সমাধান হবে’
*শ্রমিকদের জন্য চালু হচ্ছে হটলাইন
*সংঘর্ষে আহত ৩০, বন্ধ ২৫ কারখানা

মজুরি বৈষম্য দূর করার দাবিতে শ্রমিকদের টানা বিক্ষোভ চলছে। সপ্তাহব্যাপী আন্দোলনে সাভার আশুলিয়া এলাকার পোশাক শিল্পে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। সরকারের আশ্বাসেও কোনো কাজ হচ্ছে না। প্রতিদিনই রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ হচ্ছে। এতে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বারসহ ঢাকার একাংশের যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। অবরোধে রাস্তায় জ্বালাও-পোড়াও চলছে, ভাঙছে কারখানা। এতে বহির্বিশ্বে ইমেজ সংকটে পড়ছে দেশের পোশাক খাত। গতকাল পঞ্চমদিনের মতো আন্দোলনের মাঠে ছিল শ্রমিকরা। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পোশাক শিল্পের শ্রম পরিবেশ। কিন্তু এবার বিজিএমইএর (বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি) ভুলের কারণেই এ শ্রম অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মনে করেন সংগঠনটির অনেক সদস্য। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের পরও আন্দোল থামছে না। এনিয়ে নতুন করে ভাবছে সংশ্লিষ্টরা। ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় গতকালও আন্দোলন ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে প্রায় আহত হয়েছে ৩০ জন। প্রায় ২৫টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে দাবি মানার পরও কেন আন্দোলন চলছে। অনেকে বলছে, রয়েছে কোনো ইন্ধন। তবে খোঁজ নিয়ে ওয়া গেছে ভিন্ন কথা। জাতীয় গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ভিন্ন কথা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু এক নেতা বলেন, কারো ইন্ধনে এ আন্দোল করার কথাটা একেবারেই সঠিক না। এটা আমাদের রুটি-রুজির ব্যাপার। যে কারণে আমরা আন্দোলন করছি। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়ার পরও কেন আন্দোলন হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে জবাব দেন। আমরা মূলত বেতনের অসঙ্গতিগুলো দূর করতে আন্দোলন করছি। এসময় তারা আরও বলেন, অসঙ্গতিগুলো দূর করতে সময় লাগে সর্বোচ্চ তিন দিন। সেখানে এক মাস সময় অনেক বেশি। তাছাড়া আন্দোলন থেমে গেলে তা বাস্তবায়ন হয় কিনা এনিয়েও সন্দেহ রয়েছে তাদের মধ্যে। তাই তারা আন্দোলনরত অবস্থায় সকল সুযোগ-সুুবিধা বাস্তবায়ন করে মাঠ ছাড়তে চান। তাদের সাথে কথা বলে আরও জানা যায়, যদি তিন দিন বা এক সপ্তাহ সময় নেওয়া হতো, তাহলেও কোনো সমস্যা ছিল না। সময় বেশি হওয়াতে তাদের মধ্যে সন্দেহ কাজ করছে। তবে গত মঙ্গলবারের বৈঠকের সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন। বাকিটাও হয়ে যাবে বলে তারা সরকারের কাছে আশাবাদী। বেতনের অসঙ্গতির ব্যাপারে গার্মেন্ট শ্রমিক ঐক্য ফোরামের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরনো (আগের) বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয় গ্রেডের শ্রমিকদের (সিনিয়র অপারেটর) মূল বেতন পাওয়ার কথা ৫ হাজার ২০০ টাকা। অথচ গত ২৫ নভেম্বর প্রকাশিত গেজেটের নতুন মজুরি কাঠামো অনুযায়ী, বর্তমানে এই গ্রেডের শ্রমিকদের মূল বেতন ধরা হয়েছে ৫ হাজার ১৬০ টাকা। অর্থাৎ, নতুন মজুরি কাঠামো অনুসরণ করতে গিয়ে তৃতীয় গ্রেডের শ্রমিকদের মূল বেতন আগের বছরের চেয়ে কমেছে ৪০ টাকা। এটা মালিকদের কৌশলের কারণে হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। অন্যদিকে মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে শ্রমিকদের আন্দোলনটা অনেকটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে তাদের কারণেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিএমইএর এক সদস্য বলেন, নতুন মজুরি ঘোষণার পর থেকেই তা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়ে আসছিলো। বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের উচিত ছিলো এ বিষয়টি শক্তভাবে মনিটর করা। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে সদস্যদের নিয়ে বিজিএমইএ-এর বর্তমান কমিটি রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বৈঠক ডাকে। আমরা তখন বারবার বলেছি আমাদের সাথে বৈঠক করে লাভ নেই। বৈঠক করতে হলে প্রশাসন, শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক নেতাদের সাথে করেন। তাহলে আগামীতে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এলে তা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু তারা তা করেনি। তাদের কাছে সবকিছুই পিকনিক মনে হয়। তাদের ভুলের মাসুল গুনতে হয় আমাদের সাধারণ সদস্যদের। অন্যদিকে সদ্য ঘোষিত মজুরি কাঠামো বৈষম্য নিয়ে রাস্তায় আন্দোলনকারীরা। সকাল থেকেই তারা মিরপুর, সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানা এলাকায় বিক্ষোভ করে। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শ্রমিকরা। এরমধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় অন্তত ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। এছাড়া ওই এলাকার ১০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকরা। অন্যদিকে গাজিপুরেও সকাল থেকে বিক্ষোভ ভাঙচুর চালানো হয়। সেখানেও পুলিশ লাঠিচার্জ করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৫টি কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়। গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর মিরপুর সংলগ্ন শেওড়াপাড়ায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে গার্মেন্ট শ্রমিকরা। এতে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া কালশী এলাকাতেও রাস্তায় নামে তারা। সেখানে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়ার আশ^াস দিলে কর্মসূচি তুলে নেয়া হয়। এদিকে সাভার ও আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকসহ আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের আশুলিয়ার বেরন এলাকায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও শ্রমিকরা জানায়, সকালে বেরন এলাকার শারমিন গ্রুপের এএম ডিজাইন কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি দিয়ে সড়কে বেরিয়ে আসে। এ সময় শ্রমিকরা আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। পরে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রমিক ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে বিজিবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রায় ১ ঘণ্টা পর টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপজেড সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন জানান, শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় আশুলিয়ার কাঠগড়া ও জামগড়াসহ বেশকিছু এলাকার প্রায় ১০টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গাজীপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় গতকালও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করে। ঢাকা বাইপাস সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ধাওয়া দিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। আন্দোলনরত বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানায়, নগরের মোগরখাল এলাকায় বিসিএল কারখানার শ্রমিকরা তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সকালে কাজ করতে না চাইলে কারখানা কর্তৃপক্ষ কয়েকজন শ্রমিককে মারধর ও গালাগাল করে। এতে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে সড়কে নেমে আসে এবং বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে মোগরখাল ভোগড়াসহ আশপাশ এলাকার কারখানার শ্রমিকরাও কাজ বন্ধ করে দিয়ে সড়কে নেমে আসে। এ সময় কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করা হয়। এ অবস্থায় আশপাশের এলাকার কমপক্ষে ১৫টি কারখানা ছুটি ঘোষণা দেয়া হয়। ঢাকা-বাইপাস সড়কে অবরোধ করলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও ধাওয়া দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। তবে ওই সড়কে লেগে থাকে দীর্ঘ যানজট।শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে প্রকৃতপক্ষে অপারেটরদের এক টাকাও মজুরি বাড়েনি। শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। শ্রমিক নেতারা বলেন, আমরা তখন বিষয়টি বলেছি আমাদের কথা আমলে নেয়নি। এখন যে শ্রম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে তার জন্য বিজিএমইএকে দায় নিতেই হবে। নতুন মন্ত্রী পরিষদ গঠনের শুরুতেই এমন শ্রমিক অসন্তেুাষ ভাবিয়ে তুলছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে। সে কারণে গুরুত্বের সাথে দেখছেন তারা। এবিষয়ে দ্রুত সমাধানের পথে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সে বিষয়ে গত ৮ জানুয়ারি শ্রমভবনে পোশাক শ্রমিক-মালিক ও সরকারের ত্রিপক্ষীয় এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বেতন বৈষম্য দূর করতে ১২ সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়া হয়। এছাড়াও সেদিন ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া পোশাক শ্রমিকদের বেতন কাঠামোতে কোনো বৈষম্য বা অসঙ্গতি থেকে থাকলে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই তা সংশোধন করে ফেব্রুয়ারিতে সংশোধিত গ্রেডিংয়েই বেতন প্রদান নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন মালিকদের। শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো পর্যালোচনার জন্য গঠন করা ১২ সদস্যের কমিটির প্রথম সভাটি গতকাল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খানের সভাপতিতে বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে শুরু হয়। বৈঠকে পর্যালোচনা কমিটি মজুরি কাঠামোর মূল সমস্যা চিহ্নিত করেছে। মজুরি কাঠামোর সাতটা গ্রেডের মধ্যে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে মূলত সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। মালিক-শ্রমিক ও সরকার- ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এ সমস্যা শনাক্ত করা হয়। বৈঠক শেষে সচিব বলেন, যেহেতু সমস্যা শনাক্ত হয়েছে সেহেতু সমস্যা সমাধান করা যাবে। আগামী রোববার কমিটির বৈঠক আবার বসবে। ওই বৈঠকে চিহ্নিত তিনটি গ্রেডের বিষয় সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, কমিটিকে বিষয়টি সমাধানে এক মাসের সময় দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ের আগেই বিষয়টির সমাধান হয়ে যাবে। সরকার যে শ্রমিকবান্ধব তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকদের কারো বেতনই কমবে না। মজুরি কাঠামোর কারণে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে তা নয়, এর পেছনে অন্য ঘটনা রয়েছে যার একটি উদাহরণ উল্লেখ করে আফরোজা খান বলেন, মজুরি কাঠামোর চাইতে বেশি বেতন দেওয়া হয় এমন একটি কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি বলেন, অর্থনীতির মূলভিত্তি হচ্ছে গার্মেন্ট খাত। এ খাতকে ধ্বংস করার জন্য একটি চক্র পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে। এ কারণে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু বেতনই নয়, শ্রমিকরা যেকোনো সমস্যায় পড়লে একটি হটলাইন নম্বর চালু করবে শ্রম অধিদপ্তর। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা সেই নম্বরে ফোন দিয়ে শ্রমিকরা তাদের সমস্যা জানাতে পারবেন। সমস্যার যাতে তাৎক্ষণিক সমাধান হয় তার ব্যবস্থাও থাকবে। নম্বরটি শিল্প অঞ্চলে মাইকিং করে জানানো হবে। গার্মেন্ট মালিক, শ্রমিক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা কমিটির ১২ সদস্যের মধ্যে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম এবং বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শিদী।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত