শিরোনাম

চালের দামে ঊর্ধ্বগতি থামছেই না, কমছে পেঁয়াজের

আহমেদ ফেরদাউস খান  |  ২০:০৫, ডিসেম্বর ২২, ২০১৭

নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। ক্রেতাদের নাভিশ্বাস বাড়িয়ে গত সপ্তাহের মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে চাল। বাজারে নতুন দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়।

পুরান দেশি পেঁয়াজ গত সপ্তাহ থেকে ১০ টাকা কমে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। সবজির বাজার গত সপ্তাহের দরেই স্থিতিশীল। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বাড্ডা, মহাখালী ও কারওয়ানবাজারের আশপাশের কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ খুচরা বাজারে প্রতি কেজি নতুন দেশি পেঁয়াজ ৮৫-৯০, পুরান ১১০-১২০, আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের দাম কমার বিষয়ে বাড্ডা কাঁচাবাজারের পেঁয়াজের খুচরা বিক্রেতা মামুন বলেন, বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। কিন্তু দাম যে পরিমাণে কমার কথা তা এখনো কমেনি। ভারতীয় পেঁয়াজ বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। তাই এখনো ভারতীয় পেঁয়াজ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

দাম করার বিষয়ে ক্রেতারা বলেন, পেঁয়াজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা মোটেও স্বাভাবিক দাম না। ২৫-৩০ টাকায় দাম না আসা পর্যন্ত স্বাভাবিক বলা যাবে না। অন্যদিকে সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, কেজি প্রতি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০, মিনিকেট ৬৫, বিআর-আটাশ ৫৫, পারিজা ৪৬ টাকায়।

চালের দাম বাড়তি সম্পর্কে মহাখলী কাঁচাবাজারের খুচরা বিক্রেতা মাহফুজ বলেন, মাঝখানে চালের দাম কিছুটা কমে ছিল। কিন্তু এখন মোকামের অবস্থা খারাপ হওয়ায় চালের দাম আবারো বাড়ছে। কবে এই দাম কমবে তা বলা কঠিন। তবে সহসাই কমছে না বলে তিনি জানান।

কারওয়ানবাজারের ক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, বাজারে চাল, পেঁয়াজ ও সবজি কোনোটার দামই স্বাভাবিক নয়। বাজার দর দিন দিন ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

এছাড়া আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সব সবজি। সর্বশেষ খুচরা বাজার দর অনুযায়ী, প্রতি কেজি ধনিয়াপাতা ৬০, বেগুন ৩০-৩৫, কাঁচামরিচ ৭০- ৮০, পেঁপে ২০, সিম ২৫, দেশি টম্যাটো ৬০, আমদানি টম্যাটো ৮০, দেশি কাঁচা টম্যাটো ৪০, গাজর ৪০, শসা ৩০-৪০, মূলা ১৫, আলু ২০, প্রতি পিস বাঁধাকপি ২০, প্রতি পিস ফুলকপি ২০, বরবটি ৪০, পেঁয়াজ পাতা এক আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দুই আঁটি লালশাক ১৫ টাকা ও দুই আঁটি পালংশাক ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন ৮০, আমদানি রসুন ৮৫, চিনি ৫৫, দেশি মসুর ডাল ১০০-১২০ ও আমদানি মসুর ডাল ৬০ টাকা করে কেজি বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত রয়েছে সব ধরনের মাছ-মাংসের দাম। প্রতি কেজি কাতল মাছ ২৪০, পাঙ্গাশ ১২০, রুই ২৩০-২৮০, সিলভারকার্প ১৩০, তেলাপিয়া ১৩০, শিংমাছ ৪০০ ও চিংড়ি ৪৫০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৮০-৫০০, খাসির ৭০০-৭৫০ ও ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কক মুরগি প্রতি পিস সাইজ অনুযায়ী ১৫০-২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত