শিরোনাম

নতুন এডিপি ছাড়িয়ে যাবে ২ লাখ কোটি টাকা

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  |  ০০:১০, মে ১৫, ২০১৯

নতুন অর্থবছরের জন্যে বড় অংকের উন্নয়ন বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। গেল বারের ধারাবাহিকতায় এবারেও বরাদ্দে প্রাধান্য থাকবে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানবসম্পদ খাতে। তবে অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেট ঘোষণায় ঢাকঢোল না পিটিয়ে সরকারের উচিত তার গুনগত বাস্তবায়নে বেশি নজর দেয়া।

চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপি’র আকার ছিলো ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। ২০০৯-১০ অর্থবছরে যা ছিলো ৩০ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত দশ বছরে এডিপি বেড়েছে সাড়ে ৫ গুণ। বরাদ্দ বাড়ার এই ধারাবাহিকতায় আসছে বাজেটে এডিপি হতে পারে ২ লাখ ২,৭২১ কোটি টাকা।

উন্নয়ন প্রকল্পে প্রাধান্য পাবে মানবসম্পদ খাত। সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জানান, যেহেতু বছরের শুরুতে কিছু অর্থের বরাদ্দ, কিছু খাতে দিয়ে দেয়া হয়। এ জন্য অনেক প্রাধিকার খাত আছে যেখানে বছরের শুরুতে যথেষ্ট অর্থায়ন আর পাওয়া যায় না।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, অর্থের জন্য কোন প্রকল্পের কাজ আটকে রাখি নাই। অনেক সময় বিদেশি ঋণ দানকারীর কারণে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, যার জন্য দেরি হয়।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, বরাদ্দ বাড়িয়েও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি থেকে কাঙ্খিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

বিদ্যুৎ খাতের বরাদ্দ ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, এত পরিমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরও বিদ্যুৎ পাবার ব্যাপারে বিনিয়োগকারীদের কিন্তু সমস্য আছে।

ডিস্ট্রিবিউশন ও লোড ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে কিন্তু বড় ধরণের উন্নয়ন ঘটেনি। আসছে বাজেটের এডিপিতে মানবসম্পদ খাতে প্রাধান্য থাকলেও অর্থনীতিবিদের শঙ্কা আছে বরাদ্দকৃত অর্থের গুণগত ব্যবহার নিয়ে।

এ প্রসঙ্গে ড. সেলিম রায়হান আরও বলেন, যে ধরণের দক্ষ ব্যবস্থাপনা দরকার, তার ওপর ভিত্তি করে যদি শিক্ষা খাতের দিকে তাকাই তবে দেখতে পাই, আসলে এগোচ্ছে কি না? সে ব্যাপারে বড় ধরণের প্রশ্ন আছে। অথচ শিক্ষাখাতে যতটুকু বরাদ্দ সেটা কিন্তু খরচ হচ্ছে প্রতি বছর।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত