শিরোনাম

সিলেট চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  |  ০২:১৪, মার্চ ২৩, ২০১৯

জাল টিআইএন সনদ দিয়ে সদস্যপদ দেয়ার অভিযোগে সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন স্থগিত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ১৮ মার্চ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অভিযোগের তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন স্থগিতের চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন সিলেট চেম্বারের নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান বিজিত চৌধুরী। মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ২০১৯-২১ মেয়াদি কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে জাল টিআইএন সনদ দিয়ে সদস্যপদ প্রদানের মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। এমন অভিযোগে উপসচিব সিরাজুল ইসলামকে দিয়ে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে মন্ত্রণালয়। প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে দাখিল করবেন ওই কর্মকর্তা। তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য বলা হয়েছে। চিঠির অনুলিপি সিলেটের জেলা প্রশাসক, এফবিসিসিআইসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দেয়া হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৭ এপ্রিল সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নির্বাচনের দিন নির্ধারিত ছিল। জানা যায়, গত ডিসেম্বরে সিলেট চেম্বারের নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন। ওই সময় চার সহস্রাধিক ভোটার বাছাইকালে ৮৮ জনের আয়কর সনদ জাল থাকায় যাচাই-বাছাইয়ে তারা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েন। এদের মধ্যে সাতজন আপিল করলে ছয়জন সদস্যপদ ফিরে পান। সিলেট চেম্বারের নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মনির উদ্দিন বলেন, ডিসেম্বরে দায়িত্ব পাওয়ার পর ভোটার তালিকা প্রস্তুত করতে গিয়ে ৮৮ জনের টিআইএন সার্টিফিকেট জাল শনাক্ত করা হয়। তাদেরকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। অবশ্য আপিলে ছয়জন সদস্যপদ ফিরে পান। এছাড়া টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে শমসের জামাল ও ঠিকাদার অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি মুশফিক জায়গীরদারের ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্রের কারণে বাছাইয়ে বাদ পড়লে আপিলে পদ ফিরে পান তারা। সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান বিজিত চৌধুরী বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় আমরা গ্রুপ থেকে প্রেরিত প্রতিনিধিদের বাদ দিই। পরে আপিলে তারা ফিরে আসেন। এছাড়া ভোটার তালিকা থেকে ৮৮ জন বাদ পড়লেও আপিলে সাতজন আবেদন করে ছয়জন ফিরে আসেন। তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত