শিরোনাম

পাবলিক পরীক্ষার সময় ছায়াশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রাখার দাবি

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  |  ০১:০৭, মার্চ ২১, ২০১৯

কোচিং সেন্টারগুলোকে নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে ফ্রিল্যান্সিং কোচিং মালিকদের সংগঠন এসোসিয়েশন অব শ্যাডো এডুকেশন বাংলাদেশ (অ্যাসেব)। সংগঠনটির আরহ্বায়ক মো: ইমাদুল হক বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের মূলমন্ত্র শিক্ষা। কিন্তু মাঝে মাঝে শিক্ষার গলা চেপে ধরে দেশকে পিছিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময় অধিকাংশ স্কুল কলেজের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকে। কোচিংগুলোও বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়। পড়ালেখা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় ছাত্রছাত্রীরা। দিশেহারা হয়ে পড়েন অভিভাবক মহল। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সমাধান চায় ফ্রিল্যান্সারদের সংগঠন অ্যাসেব।গতকাল বুধবার সকাল ১১ ঘটিকায় এসোসিয়েশনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আহ্বায়ক বলেন, বর্তমান সরকারের হাত ধরে শিক্ষা খাতে আমরা বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করতে পেরেছি। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এখন শিক্ষার প্রতি তীব্র আকাঙ্খা রয়েছে। সকল শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা গ্রহণের ফলে প্রায় শতভাগ শিশু বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। এছাড়াও বিনামূল্যে বই বিতরণ, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আইসিটি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি প্রবর্তন, স্কুল কলেজগুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন কার্যকরী উদ্যোগগুলোর অন্যতম। কিন্তু বর্তমান দশকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি সমস্যা আমাদের অনেক ভুগিয়েছে- সেটা হল প্রশ্নফাঁস। বিভিন্ন ধরণের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এই প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে তার মধ্যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখাও একটি। যদিও প্রশ্ন তৈরী, বিতরণ, সরবরাহ কোন প্রক্রিয়ার সাথেই কোচিং সেন্টার জড়িত না। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সোহাগ। অন্যান্য যুগ্ম আহ্বায়কদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শামসেয়ারা খান ডলি, মাহবুব আরেফিন, আকমল হোসাইন, পলাশ সরকার প্রমুখ।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত