শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন রিফাতের স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ও বরগুনা প্রতিনিধি  |  ১৩:৩৯, জুন ২৭, ২০১৯

‘আমি সাথে ছিলাম। আমি অনেক চেষ্ট  করছি। কিন্তু আমি বাঁচাইতে পারি নাই। আমি অস্ত্রের মুখে পড়ছি আমার স্বামীরে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু আমি পারি নাই, শত চেষ্টা কইরাও।’

‘আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার স্বামীর হত্যার বিচার চাই। আমি ফাঁসি চাই।’

দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিনিধিকে বলছিলেন বরগুনা কলেজ রোড এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে দুই সন্ত্রাসীর এলোপাতারি কোপে নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিন্নি।

খুনী নয়ন আগেও তাকে উত্যোক্ত করত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগেও আমাকে মাঝেমধ্যে ডিস্টার্ব করত।

এ ঘটনার আগে নয়ন তাকে বা তার স্বামীকে কোনো হুমকি দিয়েছিল কিনা জানতে চাইলে মিন্নি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

বুধবার সকালে বরগুনার কলেজ রোড এলাকায় সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ হত্যাকাণ্ডের প্রকাশিত প্রতিবেদন আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে হাইকোর্টের নজরে আনেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

পরে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত রিফাত শরীফ (২৩) সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবনগোলা গ্রামের দুলাল শরীফের ছেলে। মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন রিফাত। হামলার পর গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার ভিডিওতে যে দুই যুবককে দেখা যায় তাদের একজনের নাম নয়ন বন্ড এবং আরেকজন রিফাত ফরাজী। তারা ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্মে জড়িত। এসব ঘটনায় তারা একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

এ ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। এ ঘটনায় চন্দন নামের এক যুবককে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

এসএস

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত