শিরোনাম

ছেলের বউকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাড়ি থেকে তাড়ালেন শ্বশুর

মোঃ আব্দুল কাদের, ধামরাই  |  ১৩:০২, মে ২৬, ২০১৯

ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ইন্দরা গ্রামে ছেলের বউকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর আমির হোসেনের (৬০) বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ছেলে খবর শুনেই বিদেশ থেকে বাড়িতে চলে এসেছে বলেও জানা যায়। পরে ছেলেকেসহ বউকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার বিকালে গ্রামের লোকজন ডেকে বিদেশ ফিরত ছেলে গ্রামের মাতাব্বরদের কাছে বিচার দাবি করেন।

ভুক্তভোগি গৃহবধূ বলেন, কয়েকদিন আগে আমার শ্বাশুড়ি আত্তীয় বাড়িতে বেড়াতে গেলে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে শশুর আমির হোসেন আমাকে ডেকে বলে আম খানো। আমি ঘুম থেকে উঠে আম কেটে দেই। এরপর আমি ঘুমাতে গেলে কিছুক্ষণ পর আবার ডাকেন। আমি দরজা খুলে দিলে কিছু বোঝে উঠার আগেই তিনি আমাকে ঝড়িযে ধরে ধর্ষনের চেষ্টা করেন। তখন আমি ও আমার বাচ্চা চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন দৌড়ে আসে, ততক্ষণে আমার শ্বশুর ঘর থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়া।

এই ঘটনা রাতেই আমার প্রবাসী স্বামী মোঃ আরিফুর রহমানকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানাই। তিনি পর দিনই বিদেশ থেকে চলে আসেন।

এ ব্যাপারে স্বামী মোঃ আরিফুর রহমান বলেন, আমি ঘটনা শুনে পরের দিন সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে চলে আসি। পরে সকল ঘটনা শুনে প্রতিবাদ করলে আমার বাবা আমির হোসেন আমাকে ও আমার স্ত্রী সন্তানকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমি গ্রামের গণ্যমান্য লোকজন নিয়ে বিচারের দাবি করি কিন্তু আমার বাবা সেই বিচারে আসেনি।

ইন্দরা গ্রামের সমাজের মাতাব্বর মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, আমরা গ্রামের লোকজন নিয়ে এক জায়গায় বসে ঘটনা সর্ম্পকে জানতে পারি। পরে আমিরকে বিচারে ডাকলে ও সে গ্রাম্য সালিশে আসেনি।

বালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মহর আলী বলেন, আমি আরিফুলের বউ এর ধর্ষণ চেষ্টা ও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা শুনে আমিরের বাড়িতে গিয়ে আমিরকে জিজ্ঞেস করলে সে টালবাহানা করে এড়িয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে আমির হোসেনের বাড়িতে গিয়ে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আহম্মদ হোসেন বলেন, ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুবিচারের দাবিতে গ্রামের লোকজন আমার কাছে এসেছিল। আমি সবাইকে ন্যায় বিচারের পক্ষে থাকার পরামর্শ দিয়েছি।

এমআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত