শিরোনাম

নোটিস অমান্য করে ভবন নির্মাণ

প্রিন্ট সংস্করণ॥দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  |  ০২:২৪, মার্চ ২০, ২০১৯

দুর্গাপুরে পৌরসভার নিয়ম-নীতি ভঙ্গের অভিযোগে প্রভাষক মো. সায়েদুর রহমানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় নোটিস করলেন দুর্গাপুর পৌর কর্তৃপক্ষ।পৌরসদরের বাগিচাপাড়াস্থ এলাকার মফিজ উদ্দিন কেনু মাস্টারের ছেলে দুর্গাপুর সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ সায়েদুর রহমান সাঈদ দুর্গাপুর পৌরসভার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। ২০১০ সালে তার নিজ ভূমিতে টিনসেড ভবন নির্মাণের জন্য তৎকালীন পৌর মেয়রের কাছ থেকে একটি অনুমোদন নেন। ওই নকশার বেইজ ধরেই পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো রকম যোগাযোগ না করেই সাঈদ পূর্বের নকশায় উল্লেখিত সাইড প্ল্যান অনুযায়ী ক্ষমতার অপব্যবহার ও জোরপূর্বক বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রভাষক সায়েদুর। বিষয়টি নিয়ে পার্শ্ববর্তী বসতি সেলিমের একটি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী বিষয়টি সরেজমিন পরিদর্শন করতে গেলে ওই ভবন নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত বিধায়, নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে মৌখিক নির্দেশ দেন তা না মানায়। পরবর্তীতে বহুতল ভবণ নির্মাণ কাজ বন্ধকরণ বিষয়ে দুর্গাপুর পৌরসভার কার্যালয় হতে চলতি মাসের ৩ তারিখে স্মারক নং-দুর্গা/পৌর/২০১৮/২৩৪ যা নির্মাণ আইন অর্থাৎ পরিপন্থি এই মর্মে নির্মাণ কাজ রাখার জন্য একটি নোটিস প্রদান করা হয়। এর পরও কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় অনুমোদিত নকশায় উল্লেখিত সাইড প্ল্যান অনুযায়ী নির্মাণ কাজ পরিচালনা না করায় যা পৌরসভা আইন ২০০৯ মোতাবেক আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য গত ১৩ মার্চ স্মারক নং- দুর্গা/পৌর/২০১৯/২৩৭ মূলে অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য নোটিস প্রদান করেন। এ ব্যাপারে প্রভাষক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, এসব নোটিস মূল্যহীন, যত পারে নোটিস করুক আমি এগুলোর তোয়াক্কা করি না। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় প্রতিবেদকে ঘিরে নানামুখী অপবাদ প্রচার করে যাচ্ছে সাইদ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত