শিরোনাম

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষিত মামলা নিতে গড়িমসি

প্রিন্ট সংস্করণ॥কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি  |  ০২:২৩, মার্চ ২০, ২০১৯

প্রতিবেশী প্রবাসী শামীম দ্বারা স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী গত দুই দিন আগে ধর্ষণের শিকার হলেও থানা পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের বিচার চেয়ে উল্টো ধর্ষকের পরিবার দ্বারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ধর্ষিতার পরিবারকে। বহু দৌড়ঝাঁপ করে অবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে গত সোমবার রাতে কাপাসিয়া থানায় ধর্ষিতার পরিবার একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের খিরাটি তাতেরকান্দা গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী কাপাসিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। ধর্ষিতার পরিবার জানান, উপজেলার খিরাটি তাতেরকান্দা গ্রামের পিতৃহীন দরিদ্র মায়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরী (১৩) গত শনিবার রাতে নিজ ঘরে ধর্ষণের শিকার হয়। ধর্ষিতা কন্যাকে নিয়ে দুদিন থানা পুলিশের দ্বারস্থ হলেও পুলিশের সহযোগিতা না পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের স্মরণাপন্ন হয়। ধর্ষিতার পিতা মনোহরদীতে একটি ফুলের দোকান দিয়ে ব্যবসা করছেন। তার সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা বাড়িতে বড় ছেলের পাশের রুমে থাকে। ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে শামীম তাকে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তার চিৎকারে বাড়ির পাশের লোকজন এগিয়ে এলে শামীম পালিয়ে যায়। ধর্ষিতার মা পরদিন মেয়েকে নিয়ে কাপাসিয়া থানায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যান। সেখানে কোনো প্রতিকার না পেয়ে এলাকাবাসী ও শামীমের আত্মীয়স্বজনের কাছে বিচার চাইতে গেলে শামীম ও তার স্ত্রী তাকে মারধর করেন। ধর্ষণের শিকার কিশোরী জানায়, প্রবাসী শামীম কয়েক মাস ধরে তাকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রায়ই উত্যক্ত করতো। তাতে সাড়া না দেয়ায় সে ওই রাতে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. ইসমত আরা বলেন, একজন মহিলা আমার কাছে এসেছিল, অভিযোগসহ আমি তাকে থানায় পাঠিয়েছি এবং ওসি সাহেবকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি। কাপাসিয়া থানার এস আই মনির হোসেন জানান, একজন কিশোরীকে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত