শিরোনাম

আবার ঘর ভাঙল শ্রাবন্তীর

বিনোদন ডেস্ক  |  ১৪:২১, জানুয়ারি ১৬, ২০১৯

বিয়ের প্রায় দেড় বছর পর আবারও সংসার ভাঙল কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর। কৃষ্ণ ভিরাজের সঙ্গে অনেকদিন ধরে আলাদা থাকার পর অফিসিয়ালি বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে তাদের। দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়নের জেরে যৌথ সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন শ্রাবন্তী এবং কৃষ্ণ। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) কলকাতার আলিপুর আদালত তাদের বিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর করেন।

আইনজীবী অনুনয় বসু পশ্চিমবঙ্গের একটি পত্রিকাকে জানান, পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন শ্রাবন্তী-কৃষ্ণ। এরপর আলিপুর আদালতের জেলা বিচারক রবীন্দ্রনাথ সামন্ত মঙ্গলবার বিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর করেন। দুই পরিবারের সদস্যেদের উপস্থিতিতে ২০১৭ সালে বিয়ে করেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী ও মডেল কৃষ্ণ ভিরাজ। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। যা শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদে রূপ নিল। তবে ঠিক কী কারণে তাদের বিচ্ছেদ হল সেই ব্যাপারে মুখ খোলেননি দুই তারকার কেউই।

অভিনয় ও ছেলে ঝিনুককে নিয়ে এখন ব্যস্ত থাকতে চান শ্রাবন্তী। কারো বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই বলেও জানান ‘নবাব’খ্যাত এই অভিনেত্রী। এর আগে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন শ্রাবন্তী। বিয়ের কয়েক বছর পর তাদের সংসার ভেঙে যায়। রাজীব-শ্রাবন্তীর সন্তান ঝিনুক।

১৯৯৭ সালে শ্রাবন্তীর প্রথম ‘মায়ের বাঁধন’ সিনেমায় অভিনয় করেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেন স্বপন সাহা। এতে প্রসেনজিৎ, শতাব্দী রায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর মতো অভিনয়শিল্পীরা অভিনয় করেন। এতে শিশু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শ্রাবন্তী। ২০০৩ সালে নির্মাতা রাজিব বিশ্বাসেকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। তখন রাজীব সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করতেন। মজার ব্যাপার হলো তখন শ্রাবন্তীর বয়স মাত্র ১৫ বছর।

বিয়ের পরই সিনেমা জগৎ থেকে সরে যান শ্রাবন্তী। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর রবি কিনাগীর ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গনে ফিরেন তিনি। শ্রাবন্তী-রাজীবের বিচ্ছেদ নিয়ে টালিগঞ্জে কম কানাঘুষো হয়নি। অনেকে বলেন, চিত্রনায়ক দেবের সঙ্গে শ্রাবন্তীর বন্ধুত্ব নিয়ে সংসারে তাদের অশান্তি শুরু। যদিও রাজীবের বিরুদ্ধে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ওঠেছিল।

রাজীব-শ্রাবন্তীর ডিভোর্সের পর ব্যবসায়ী বিক্রম শর্মার সঙ্গে শ্রাবন্তীর সম্পর্কের কথা সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়েছিল। তবে শ্রাবন্তী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, বিক্রমের সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধুত্বের। শ্রাবন্তী সেলফি তুলার রাণী। মুহুর্মুহু সেলফি তুলেন এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আপলোড করেন।তা ছাড়া প্রায় প্রতি ৪৮ ঘ্ণ্টায় হোয়াটসঅ্যাপে ডিপি পরিবর্তন করেন এই অভিনেত্রী। শ্রাবন্তীর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ তার ছেলে ঝিনুক। বিচ্ছেদের পর শ্রাবন্তীর কাছেই থাকে তার ছেলে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত