শিরোনাম

শুক্রবার ঢাকায় জানাজা, ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামে দাফন

বিনোদন প্রতিবেদক  |  ১৩:৫৯, অক্টোবর ১৮, ২০১৮

বাংলা সংগীতাঙ্গানের কিংবদন্তি, জনপ্রিয় ব্যান্ডদল এলআরবি’র লিড গিটারিস্ট ও ভোকাল আইয়ুব বাচ্চুকে তার চট্টগ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে চিরসমাহিত করা হবে। তার আগে ঢাকায় এই শিল্পীর নামাজে জানাজা হবে জাতীয় ঈদগাহের পাশে হাইকোর্ট মসজিদে। বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণের পর দুপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বলেন, তার মরদেহ এখন হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) বাদ জুমা জাতীয় ঈদগাহের পাশে হাইকোর্টের মসজিদে আইয়ুব বাচ্চুর নামাজে জানাজা হবে। সেদিন রাতে বিদেশ থেকে তার ছেলে তাজয়াত আইয়ুব ও মেয়ে সাফরা আইয়ুব দেশে আসবেন। এরপর মরদেহ নিয়ে তারা মধ্যরাতে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন। শনিবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

 স্কয়ার হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. মো. নাজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, আইয়ুব বাচ্চুকে অসুস্থাবস্থায় তার গাড়িচালক সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখনই আমরা ধারণা করেছিলাম যে তিনি হয়তো মারা গেছেন। কারণ তখনই তার মুখ দিয়ে লালা বের হচ্ছিলো। তবু আমাদের ডাক্তারদের একটি বিশেষজ্ঞ দল তার দেখাশোনা করে এবং সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আইয়ুব বাচ্চু দীর্ঘদিন ধরে হৃদযন্ত্রের অসুস্থতায় ভুগছিলেন জানিয়ে ডা. নাজিম বলেন, তার হার্টের কার্যক্ষমতা ছিলো ৩০ শতাংশ। সর্বশেষ তিনি গত সপ্তাহে স্কয়ার হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছেন। এর আগে ২০০৯ সালে তিনি হার্টে রিং পরিয়েছিলেন।

এর আগে, সকালে নিজের বাসায় আইয়ুব বাচ্চু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান আইয়ুব বাচ্চুর সংগীতাঙ্গনের সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। হাসপাতালে দেখা গেছে ফকির আলমগীর, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, হানিফ সংকেত, ফাহমিদা নবী, কুমার বিশ্বজিৎ, কবির বকুল, এলিটা করিমকেও।

তিনি ছিলেন একাধারে গায়ক, লিডগিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার, প্লেব্যাক শিল্পী। এল আর বি ব্যান্ড দলের লিড গিটারিস্ট এবং ভোকাল বাচ্চু বাংলাদেশের ব্যান্ড জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের একজন। এর আগে তিনি দশ বছর সোলস ব্যান্ডের সাথে লিড গিটারিস্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

সঙ্গীতজগতে তাঁর যাত্রা শুরু হয় ফিলিংসের মাধ্যমে ১৯৭৮ সালে। অত্যন্ত গুণী এই শিল্পী তাঁর শ্রোতা-ভক্তদের কাছে এবি (AB) নামেও পরিচিত। তাঁর ডাক নাম রবিন। মূলত রক ঘরানার কন্ঠের অধিকারী হলেও আধুনিক গান, ক্লাসিকাল সঙ্গীত এবং লোকগীতি দিয়েও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

আইয়ুব বাচ্চু ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাচ্চুর সঙ্গীতজগতে যাত্রা শুরু হয় ফিলিংস ব্যান্ডের সাথে ১৯৭৮ সালে। তাঁর কন্ঠ দেয়া প্রথম গান "হারানো বিকেলের গল্প"।

গানটির কথা লিখেছিলেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালে তিনি সোলস ব্যান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত রক্তগোলাপ আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম প্রকাশিত একক অ্যালবাম। এই অ্যালবামটি তেমন একটা সাফল্য পায়নি। আইয়ুব বাচ্চুর সফলতার শুরু তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ময়না (১৯৮৮) এর মাধ্যমে।

১৯৯১ সালে বাচ্চু এল আর বি ব্যান্ড গঠন করে। এই ব্যান্ডের সাথে তার প্রথম ব্যান্ড অ্যালবাম এল আর বি প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে। এটি বাংলাদেশের প্রথম দ্বৈত অ্যালবাম। এই অ্যালবামের "শেষ চিঠি কেমন এমন চিঠি", "ঘুম ভাঙ্গা শহরে", "হকার" গানগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করে। পরে ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে তার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ব্যান্ড অ্যালবাম সুখ ও তবুও বের হয়। সুখ অ্যালবামের "সুখ, "চলো বদলে যাই", "রূপালি গিটার", "গতকাল রাতে" উল্লেখযোগ্য গান। "চলো বদলে যাই" বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে অন্যতম জনপ্রিয় একটি গান। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন বাচ্চু নিজেই।

১৯৯৫ সালে তিনি বের করেন তৃতীয় একক অ্যালবাম কষ্ট। সর্বকালের সেরা একক অ্যালবামের একটি বলে অবিহিত কড়া হয় এটিকে। এই অ্যালবামের প্রায় সবগুলো গানই জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে "কষ্ট কাকে বলে", "কষ্ট পেতে ভালোবাসি", "অবাক হৃদয়", ও "আমিও মানুষ"। একই বছর তার চতুর্থ ব্যান্ড অ্যালবাম ঘুমন্ত শহরে প্রকাশিত হয়। তিনি অনেক বাংলা ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন। "অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে" বাংলা ছবির অন্যতম একটি জনপ্রিয় গান। এটি তাঁর গাওয়া প্রথম চলচ্চিত্রের গান।

২০০৯ সালে তার একক অ্যালবাম বলিনি কখনো প্রকাশিত। ২০১১ সালে এল আর বি ব্যান্ড থেকে বের করেন ব্যান্ড অ্যালবাম যুদ্ধ। এই অ্যালবামে ১০টি গান রয়েছে। ছয় বছর পর তার পরবর্তী একক অ্যালবাম জীবনের গল্প (২০১৫) বাজারে আসে। এই অ্যালবামে ১০টি গান রয়েছে। গানের কথা লিখেছেন সাজ্জাদ হোসাইন এবং সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আইয়ুব বাচ্চু নিজে।

গিটারে তিনি সারা ভারতীয় উপমহাদেশে বিখ্যাত। জিমি হেন্ড্রিক্স এবং জো স্যাট্রিয়ানীর বাজনায় তিনি দারুনভাবে অণুপ্রাণিত। আইয়ুব বাচ্চুর নিজের একটি স্টুডিও আছে। ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত এই মিউজিক স্টুডিওটির নাম এবি কিচেন। তিনি ২০১০ সালে ঈদের জন্য নির্মিত ট্রাফিক সিগন্যাল ও হলুদ বাতি শিরোনামের নাটকে অভিনয় করেন। ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর বাচ্চু ফুসফুসে পানি জমার কারণে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সুস্থ হন।

২০১৪ সালের ১৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে 'টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১৪'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে 'বিসিবি সেলিব্রেশন কনসার্ট'-এ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন নিয়ে মাইলস ব্যান্ডের হামিন আহমেদের সাথে বাচ্চুর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই দ্বন্দ্বের সূত্রে বাচ্চু ও তার ব্যান্ড এল আর বি বাংলাদেশ ব্যান্ড মিউজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বামবা) সদস্যপদ প্রত্যাহার করেন।

গোল্ডেন বয়েজ’ থেকে ‘এলআরবি’
কৈশোর-যৌবনের স্বপ্নবোনা শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ডসংগীত কিংবা গিটারে তিনি কিংবদন্তি। মঞ্চে বাচ্চু মানেই নিশ্চুপ গ্যালারি, মৃদু দুলুনি তারপর আবার উন্মাতাল হৈহুল্লোড়। তিনি আমাদের এবি। মাত্র ৫৬ বছর বয়সেই ছেড়ে চলে গেলেন রূপালী গিটার, মায়াবি সকালের মায়া।

একজন এবি বলিউড ফিল্মডোমে যেমন বয়স ছাপিয়ে তারুণ্যের আলো ছড়াচ্ছেন, আমাদেরও আছেন সেরকমই একজন এবি। তবে তার বিচরণ গানে গানে। দেশীয় ব্যান্ডসংগীতের তিনি মধ্যমণি। এই রক লিজেন্ডের গড়ে তোলা ব্যান্ড এলআরবি পথ চলার পার করেছে ২৭ বছর। শ্রোতাদের দিয়েছেন তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় গান। তার জনপ্রিয় গান রূপালী গিটার ফেলে সত্যি চলে গেলেন দূরে বহু দূরে। সুখের পৃথিবীতে তাকে আর করতে হলো না সুখের অভিনয়।

আইয়ুব বাচ্চুর জন্ম চট্টগ্রামে। জন্ম তারিখ ১৬ আগস্ট ১৯৬২। ডাক নাম রবিন। পরিবারের তেমন কেউ গানের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি তার ঝোঁক। আধুনিক-লোকগীতি-ক্ল্যাসিক্যালের পাশাপাশি শুনতেন প্রচুর ওয়েস্টার্ন গান।

গানের প্রতি নিজের এই ভালোবাসা সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, গান শুনতাম প্রচুর। নিজেও একসময় গাইতে চেষ্টা করলাম। স্কুলে পড়াকালীন চট্টগ্রামের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতাম। আর তখন থেকেই ওয়েস্টার্ন মিউজিক ভালো লাগতো। শুরু করি গিটার চর্চা। জিমি হেন্ডরিক্স, জো স্যাটরিনি, স্টিভ মুর হয়ে ওঠেন আমার অনুপ্রেরণার উৎস। কলেজে পড়ার সময় বন্ধুদের নিয়ে একটা ব্যান্ডদল গড়ি। প্রথমে ব্যান্ডের নাম রাখা হয় ‘গোল্ডেন বয়েজ’, পরে নাম পাল্টিয়ে রাখা হলো ‘আগলি বয়েজ’। বিয়েবাড়ি, জন্মদিন আর ছোটখাট নানা অনুষ্ঠানে আমরা এই ব্যান্ডদল নিয়ে গান করতাম।

স্কুল-কলেজের ছেলেমানুষি ভুলে বন্ধুরা যে যার মতো একেক দিকে ছড়িয়ে পড়লেও আইয়ুব বাচ্চু মিউজিক নিয়েই থাকলেন। চট্টগ্রামের বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে ‘ফিলিংস’ নামের একটি ব্যান্ড তখন গান করতো। ফিলিংসের সঙ্গে আইয়ুব বাচ্চু জড়িত ছিলেন কিছুদিন। ১৯৮০ সালে যোগ দেন ‘সোলস’ ব্যান্ডে। সোলসের লিডগিটার বাজানোর দায়িত্বে ছিলেন টানা ১০ বছর। ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল গড়ে তুললেন নতুন ব্যান্ড এলআরবি।

নতুন ব্যান্ড গঠন প্রসঙ্গে আইয়ুব বাচ্চু বলেছিলেন, আসলে মিউজিক নিয়ে নতুন কিছু এক্সিপেরিমেন্ট করার ভাবনা থেকেই এলআরবির জন্ম। হার্ড-রক ছিল আমাদের প্রথম পছন্দ। সে সময় দলের লাইন আপ ছিল টুটুল কী-বোর্ড, স্বপন বেজ, জয় ড্রামস আর আমি ভোকাল কাম লিডগিটার।

এলআরবি দিয়ে শুরুতে বোঝানো হয়েছিল ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’। কিন্তু কিছুদিন পর এক প্রবাসী বন্ধু জানান এই নামে অস্ট্রেলিয়ায় একটি ব্যান্ড আছে। তাই প্রয়োজন হয় দলের নাম পাল্টাবার। এলআরবি আদ্যাক্ষর ঠিক রেখে ব্যান্ডের নতুন নাম রাখা হলো ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড’। শুরুতেই এলআরবি চমক সৃষ্টি করে ডবলস ডেব্যু অ্যালবাম বের করার মধ্য দিয়ে। ‘এলআরবি- ১ ও ২’ নামের এই ডবলসের পর একে একে এ পর্যন্ত ব্যান্ডের আরো ১০টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৮ সালে বের হয়েছিল সর্বশেষ অ্যালবাম ‘স্পর্শ’।

অডিও সেক্টরের চেয়েও এলআরবিকে বেশি সরব দেখা গেছে দেশ-বিদেশের কনসার্টে। যে কোনো স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ার আগে আইয়ুব বাচ্চু পুরো দল নিয়ে প্র্যাকটিস করতে কখনও ভুল করেন না। সারা দিন সময় না পেলে মধ্যরাতে হলেও তিনি প্র্যাকটিস করেন। ইউরোপ-আমেরিকা-মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের প্রায় ২৫টি দেশের কনসার্টে এলআরবি পারফর্ম করেছে। অংশ নিয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি কনসার্টে।

‘এতোগুলো বছরে ব্যান্ডকে যতটা সময় দিয়েছি, আমার পরিবারকেও ততটা দিতে পারিনি। অনেক রকম ঝড়-ঝাপটার মধ্য দিয়ে আমাদের টিকে থাকতে হয়েছে। কিন্তু শ্রোতাদের ভালোবাসা আমাদের সঙ্গে ছিল, তাই এতটা পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়েছে। শ্রোতারাই আমাদের সব শক্তির উৎস। শ্রোতারা যত দিন চাইবে, তত দিন এভাবেই এলআরবিকে নিয়ে গান করে যাবো।’

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক
জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।আলাদা এক শোকবার্তায় আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সৌদি সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বিষয়টি জানানো হয়।এছাড়া, আরো শোক জানিয়েছেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত