শিরোনাম

শাবনূরের সাফল্যের ২৫ বছর

প্রিন্ট সংস্করণ॥বিনোদন প্রতিবেদক  |  ০১:১৪, অক্টোবর ১৫, ২০১৮

শুধু দর্শকদেরই পছন্দের নায়িকা নন শাবনূর। তিনি নায়িকাদেরও প্রিয় নায়িকা। চিত্রনায়িকা মৌসুমী তো সেলিব্রিটি টক শোতে অকপটে বলে দেন শাবনূর তার চেয়েও বেশি জনপ্রিয়। এটা একজন নায়িকার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আজ শাবনূর তার চলচ্চিত্রজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করছেন। প্রয়াত চিত্রপরিচালক এহতেশামের হাত ধরে ‘চাঁদনী রাতে’ চলচ্চিত্রের মধ্যদিয়ে ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর বড়পর্দার রঙিন আলোয় তার অভিষেক ঘটে। এমবি ফিল্মস লিঃ প্রযোজিত আজিজ মোহাম্মদ ভাই নিবেদিত এই চলচ্চিত্রে শাবনূরের বিপরীতে অভিনয় করেন সাব্বির। প্রথম চলচ্চিত্রে সাফল্য কুড়াতে পারেননি শাবনূর। এর পরও পরিচালক জহিরুল হক বুঝতে পেরেছিলেন এই নায়িকাকে দিয়ে ভালোকিছু হবে। ফলে তার ‘তুমি আমার’ চলচ্চিত্রে সালমান শাহের সঙ্গে জুটি করেন শাবনূরকে। ছবিটি সুপার হিট হয়। আলোচনায় চলে আসে নতুন জুটি। দর্শক চিনতে পারেন শাবনূর কী! এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। শুধু সাফল্য গায়ে মেখে পথ চলছেন নায়িকা। ১৯৯৩ সাল থেকে বলা যায় প্রায় টানা পনেরো বছর শাবনূর দেশীয় চলচ্চিত্রে রাজত্ব করেছেন। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘দুই নয়নের আলো’ ছবির জন্য ২০০৫ সালে তিনি প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। এটিই শাবনূরের প্রথম এবং একমাত্র জাতীয় পুরস্কার। দীর্ঘ পঁচিশ বছরের পথচলা নিয়ে শাবনূর বলেন, ‘দেখতে দেখতে জীবনের এতোটা সময় পেরিয়ে এসেছি ভাবলেই অবাক হই। কতো কতো প্রিয়মুখ আর নেই, এ কথা ভাবলেও কষ্ট হয়। আল্লাহর রহমতে চলচ্চিত্রে এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই আছি আমি। আমার অভিনয়জীবনের পথচলায় আমার প্রত্যেক চলচ্চিত্রের পরিচালক, প্রযোজক, সিনেমাটোগ্রাফার, কাহিনীকার, প্রোডাকশন বয়, ট্রলিম্যান থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে আমার বোন ঝুমুরের কথা উল্লেখ করতেই হয়। সবারই সহযোগিতায় আমি আজকের শাবনূর। চলচ্চিত্রের সবাইকে নিয়ে আমি ভালো থাকতে চাই।’ প্রসঙ্গত, শাবনূর অভিনীত ব্যবসাসফল অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে-‘বিক্ষোভ’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘মহামিলন’, ‘বিচার হবে’, ‘জীবন সংসার’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘প্রেমের অহংকার’ ও ‘অধিকার চাই’।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত