শিরোনাম

চট্টগ্রামের ভাষায় সংলাপ বলাটাই ছিল চ্যালেঞ্জিং

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ১০:১৫, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৭

এর আগে টিভি নাটকে নিজের অভিনয়ের শক্তি দেখিয়েছেন রুনা খান। এবার চলচ্চিত্রেও সফল হয়েছেন এই অভিনেত্রী। তৌকীর আহমেদ পরিচালিত হালদা ছবিতে চট্টগ্রামের ভাষায় অভিনয় করাটা তার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। গত ১ ডিসেম্বর হালদার পাশাপাশি মুক্তি পেয়েছে রুনার আরেকটি ছবি ‘ছিটকিনি’। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রকিব হোসেন

হালদা চলচ্চিত্রে কাজের জন্য দর্শকদের সাড়া কেমন পাচ্ছেন?
এই চলচ্চিত্রে কাজ করে আমি দারুণ মজা পেয়েছি। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগের দিন বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সে এর প্রিমিয়ার শো হয়েছিল। শো শেষে আমার অভিনয় নিয়ে পরিচিতজনদের প্রায় সবাই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। পাশাপাশি এটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকরা আমার অভিনয়ের প্রশংসা করছেন।
আসলে ‘হালদা’ খুব সাধারণ মানুষের গল্পের চলচ্চিত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আমার কাজ নিয়ে মানুষের ভালোলাগার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি এ পর্যন্ত ফেসবুকে হালদা নিয়ে যতগুলো রিভিউ পড়েছি, সবই ইতিবাচক। তৌকীর ভাই সবার কাছ থেকেই অভিনয় আদায় করে নিয়েছেন। সবাই বেশ ভালো অভিনয় করেছে।
এবার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার কথা শুনতে চাই।
হালদার শুটিংয়ের সময়গুলো আনন্দের ছিল। রাত দিন শুটিং স্পটে হাজার হাজার মানুষ আসতো শুটিং দেখার জন্য। এই ছবিতে জাহিদ হাসান, মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করে আমি মজা পেয়েছি। শুটিংয়ের দিনগুলো খুব মিস করছি। দিনে শুটিং করে রাতে সবাই একসঙ্গে আড্ডা দিয়েছি।

এই ছবিতে আপনি চট্টগ্রামের ভাষায় অভিনয় করেছেন। এটা নিয়ে শুটিংয়ের আগে কোনো চিন্তায় পড়েছিলেন?
আসলে এটি যেহেতু আমার ভাষা না, তাই চট্টগ্রামের ভাষায় সংলাপ আওড়াতে হবে শুনে প্রথমে অনেক চিন্তায় পড়ে যাই। এই ছবিতে চট্টগ্রামের ভাষায় সংলাপ বলাটাই ছিল সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। শুটিংয়ের সময় চট্টগ্রামের একটি ছেলে আমাদেরকে তার ভাষায় সংলাপ বলতে সাহায্য করেছিল।

হালদার পাশাপাশি একই দিনে মুক্তি পেয়েছে আপনার অভিনীত প্রথম ছবি ছিটকিনি। এই ছবিটি নিয়ে আপনার ভাবনার কথা জানাবেন কী?
যেহেতু ছিটকিনি আমার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র, তাই এটি নিয়ে শুরু থেকেই আমার স্বপ্ন, আশা ছিলো অনেক। আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ এর পরিচালক সাজেদুল ভাইয়ের কাছে। কারণ তিনিই আমাকে চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ করে দিয়েছেন। প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করার স্বপ্নটা তিনিই পূরণ করেছেন।
এই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে পঞ্চগড় রেল স্টেশনের কর্মচারী যক্ষ্মায় আক্রান্ত কফিলের জন্য স্বামীহারা পাথর শ্রমিক ময়মুনার আত্মত্যাগের ঘটনাকে উপজীব্য করে। ছবিটিতে আমি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এটি একটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ায় আমার খারাপ লাগছে। কারণ এত টাকা খরচ করে, এত পরিশ্রম করে কাজ করার পর ছবিটি যদি ভালোভাবে দর্শকদের কাছে না পৌঁছায়, এটা দুঃখজন ঘটনা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত