শিরোনাম

‘জেসিয়া বলত, আমি বা হিমি হব চ্যাম্পিয়ন’

প্রিন্ট সংস্করণ॥ বিনোদন প্রতিবেদক  |  ১০:৩৮, অক্টোবর ১২, ২০১৭

সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’র প্রথম রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন ফাতেমা তুজ জাহারা। এর আগে ‘সুপার মডেল বাংলাদেশ’ বিজয়ী হওয়ার পর জাহারা দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘সুপার মডেল ইন্টারন্যাশনাল-২০১৭’ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। হয়েছেন ‘মিস কসমোপলিটন ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’, ‘মিস ফ্যাশন আইকন’, ‘মিস ন্যাশনাল কস্টিউম’, ‘বিজিএমইএ ইয়েলো ফ্যাশন ফেস্ট উইনার’। ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিতর্কের জন্ম হয়। এতেই শুরু হয় চুলচেরা বিশ্লেষণ। বাদ পড়েন প্রথম ঘোষিত মিস বাংলাদেশ। নতুন ঘোষণায় প্রথম রানার আপ হন তিনি। সম্প্রতি আমার সংবাদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে কথা বলেছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। সাক্ষাতকার নিয়েছেন সৈয়দ রেফাত ও সাহিদ আহমেদ-

মিডিয়ায় এলেন কীভাবে?
আসলে মিডিয়ায় আসা সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই। তবে ছোটবেলা থেকেই থিয়েটার করা। সেখান থেকেই নাচ গান শেখা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতাম সেখান থেকেই কাজ করা।
সুন্দরী প্রতিযোগিতায় আপনার অংশগ্রহণ কীভাবে?
আমার ইচ্ছা ছিল প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করা। বেশি ইচ্ছা ছিল আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করার। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সুন্দরী প্রতিযোগিতা থাকার পরও আমি সেখানে আগ্রহ দেখাইনি। আগ্রহ কাজ করতো সরাসরি ইন্টারন্যাশনালি কাজ করার। কিন্তু ‘সুপার মডেল বাংলাদেশ’ সুন্দরী প্রতিযোগীতায় আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করার সুযোগ থাকায় সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলাম। এরপরই ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’র খবর জানতে পেরে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করি।
লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশে অংশগ্রহণ করেই পেয়েছেন সফলতা সেটি কীভাবে দেখছেন?
মিস ওয়ার্ল্ড একটি বিশাল বড় প্লাটফর্ম। সুপার মডেল বাংলাদেশ বিজয়ী হওয়ার পর ৫ মাসের বিরতি দিয়ে মিস ওয়ার্ল্ডে এসে রানার আপ হয়েছি কিন্তু আমার মনে হয় আরও ভালো হতে পারতো।
বলা হয় এখানে সমঝোতা ছাড়া কেউ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে না
আমি এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩টি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি। আমার কাছে এখন পর্যন্ত তেমন সমঝোতার কিছু চোখে পড়েনি। আমি বলবো এটি ভুল ধারণা, যারা এখানে থাকে তারাই এই সম্পর্কে ভালো জানে। আসলে মানুষ তো অনেক কথাই বলতে পছন্দ করে বা শুনতে পছন্দ করে কিন্তু আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলবো, এখানে কোনো সমাঝোতার কিছু আমি দেখিনি।
সেরা দশে আসতে আপনাকে কোনো রকম হয়রানির শিকার হতে হয়েছে?
এখানে আসতে কোনো রকম হয়রানির শিকার হতে হয়নি। উল্টো আমি অনেক কিছু অর্জন করতে পেরেছি। একটি পরিবার পেয়েছি। যোগ্যতা দিয়েই সেরা দশে স্থান নিয়েছি।
এভ্রিল সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন?
আমরা তো প্রায় দেড় মাস একসাথে ছিলাম। আমি সে রকম কিছুই লক্ষ করিনি। যদি জানতাম অবশ্যই আমরা আয়োজকদের এ সম্পর্কে জানাতাম। আমরা সেখানে সবাই ছিলাম প্রতিযোগী। আসলে যাকে নিয়ে এত বিতর্ক সে হয়তো নিজেও জানতো না বিষয়টি এমন হবে। আমরা সেখানে সবাই বোনের মতো ছিলাম। সবকিছু মিলিয়ে আমি আসলে এরচেয়ে বেশি মন্তব্য করতে পারব না।
বর্তমান ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জেসিয়া ইসলাম সম্পর্কে কিছু বলুন
বিচারকরা জেসিয়াকে তার যোগ্যতা দেখেই নির্বাচন করেছেন। আশাকরি দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে।
অনেকের দাবি হিমি অন্য সবার চেয়ে বেষ্ট ছিল। আবার অনেকে বলছে আপনিও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। এ ব্যাপারে আপনি কি বলবেন?
আমরা যখন একসাথে ছিলাম গ্রুমিং করতাম টিচাররা আমাদের দুজনকেই মোটামুটি এগিয়ে রাখতেন। হিমি আমার থেকে উচ্চতার দিক থেকে এগিয়ে ছিল তবে আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞতা বা পরিপক্বতার দিক থেকে আমি হয়তো এগিয়ে ছিলাম। তাছাড়াও এখনকার যে বর্তমান মুকুটজয়ী জেসিয়াকে আমি একদিন দুষ্টুমি করে জিজ্ঞেস করেছিলাম কে হতে পারে চ্যাম্পিয়ন? ও বলেছিল তুমি হয়তো বা হিমি হবে বিজয়ী। কিন্তু আমি রানার আপ হবই। এখন সবই আসলে স্মৃতি। আমরা সবাই বোনই ছিলাম, ছোট বোন হিসেবে হিমিকে অনেক ভালোবাসি।

 

আরও পড়ুন: অবশেষে জেসিয়া হলেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’<

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত