শিরোনাম

‘ধনী গরিবের ভালোবাসা নাটক সিনেমায় মানালেও বাস্তবে অসম্ভব’

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ০৮:৪৬, মে ২৪, ২০১৯

‘মান অভিমান’ নামের দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক প্রচার হচ্ছে দীপ্ত টিভিতে। সপ্তাহের প্রতি শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় প্রচার হয় নাটকটি। ধারাবাহিকটির একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইফফাত আরা তিথি। নাটক ও বিভিন্ন বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন আল কাছির

‘মান অভিমান’ নিয়ে বলুন—
জেন অস্টেনের ‘প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস’ এর অনুপ্রেরণায় ধারাবাহিক নাটকটি নির্মিত হচ্ছে। নাসিমুল হাসানের চিত্রনাট্যে এটির সংলাপ করেছেন সরোয়ার সৈকত। পরিচালনা করছেন আশিষ কুমার রায়। গল্পে দেখা যাবে, মধ্যবিত্ত পরিবারের রানুকে ভালোবাসে শিল্পপতি রাহাত। সম্পর্কটায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় রাহাতের বিত্তশালী বন্ধু ফরহাদ। দাম্ভিক ফরহাদের মতে, গরিব আর ধনীর ভালোবাসা নাটক সিনেমায় মানালেও বাস্তবে তা অসম্ভব। আর রানুর বোন বীথি বিশ্বাস করে ভালোবাসা দিয়ে সব অসম্ভবকে জয় করা যায়। একদিন সেই বীথিরই প্রেমে পড়ে যায় ফরহাদ।

আপনার চরিত্রটি নিয়ে বলুন—
এ নাটকে ‘বীথি’ চরিত্রে অভিনয় করছি আমি। আমার বিপরীতে অভিনয় করছেন সমাপ্তি মাশুক। ‘বীথি’ দায়িত্ববান একটি মেয়ে । রাগি, প্রতিবাদী কিন্তু বেয়াদব না। ও গানে খুব ভালো। এছাড়া আরও অনেক গুণ আছে ওর। বাবা আর বড় বোন রানুর সঙ্গে বীথির সম্পর্ক খুব ভালো। ভুল কোনো কিছুকে বীথি সার্পোট করে না। বাড়ির কোনো ক্রাইসিস ও মুখ বুঝে সহ্য করতে পারে না। বীথি মেয়েটা সবসময় সত্য কথা বলতে পছন্দ করে। বীথি আর ফরহাদের মধ্যে অনেক সমস্যা, অনেক মান অভিমান। লুতুপুতু প্রেম ওদের মধ্যে হয় না। ছোট ছোট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এভাবেই এগিয়ে চলে ওদের প্রেম।

ধারাবাহিকে যুক্ত হওয়া কীভাবে?
অডিশন দিয়ে এ ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। ধারাবাহিকের দুই-একটা চরিত্র বাদে সবগুলোই অডিশন দিয়ে বাছাই করেছে। আমাদের পাঁচ বোনের সবাই অডিশন দিয়ে বাছাই হয়েছি।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কেমন?
দারুণ অভিজ্ঞতা। পুরো ধারাবাহিকের শুটিং হচ্ছে আশুলিয়ায়। গল্পের প্রয়োজনে মাঝে মধ্যে আউটডোর করা হয়। এছাড়া বাকি পুরো কাজটাই আশুলিয়ায় হচ্ছে। প্রতি মাসে ২০ দিনের মতো শুটিং করি আমরা। এতদিন শুটিং করার ফলে আমরা পুরো একটা পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছি। সবাই খুব আনন্দ করে, এনজয় করে শুটিং করি। সবাই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজটি করছি আমরা।

দর্শক প্রতিক্রিয়া কেমন পাচ্ছেন?
ধারাবাহিকটি প্রচার হওয়ার পর থেকে খুব ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। সেদিনও একজন বলছে, ‘আপু আপনি পাঁচ বোনের ওই সিরিয়ালের বীথি আপু না? সিরিয়ালে আপনি তো অনেক রাগি কিন্তু সামনাসামনি আপনি তো এত রাগি না।’ এটা শুনেই আমার মনে হয়েছে ধারাবাহিকটি মানুষ দেখছে। এছাড়া পরিচিতজনরা তো ফোনে প্রায়ই প্রতিক্রিয়া দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পজেটিভ প্রতিক্রিয়া পাই।

অন্যান্য কাজের খবর কী?
মাসে টানা কাজ করার ফলে অন্য কাজে সময় দিতে পারি না। বিজ্ঞাপন বা ফটোশুটের প্রস্তাব প্রায়ই পাই। কিন্তু ডেট মিলাতে পারি না বলে করা হয় না। এখন ‘মান অভিমান’ নিয়েই সমস্ত চিন্তা ভাবনা। শুটিংয়ের বাইরে যে ১০ দিন সময় পাই তাতে পড়াশুনাতেই ফোকাস করছি বেশি। কারণ সামনে উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে আমার।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত