শিরোনাম

না ফেরার দেশে সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেন

বিনোদন প্রতিবেদক  |  ১০:১৭, মে ২৩, ২০১৯

না ফেরার দেশে চলে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নজরুল সংগীত শিল্পী ও গবেষক খালিদ হোসেন। ঢাকায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চি‌কিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২২মে) রাত ১০টা ১৫ মি‌নি‌টে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

শিল্পীর ছে‌লে আসিফ হো‌সেন গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়ে বলেন, হাসপাতা‌লের আনুষ্ঠানিকতা সে‌রে রাতেই মর‌দেহ মোহাম্মদপু‌রের বাসায় নেয়া হ‌বে। বৃহস্প‌তিবার পৈত্রিক বা‌ড়ি কু‌ষ্টিয়ার কোটপাড়ায় তা‌কে দাফন করা হ‌বে।

দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত এ শিল্পী সম্প্রতি কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছি‌লেন। অবস্থার অবন‌তি হ‌লে গত ৪ মে হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হয় তা‌কে।

খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি প্রয়াতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানান।

খালিদ হোসেন ১৯৩৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান ভারত) পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন।

দেশ বিভাগের পর তিনি পরিবারের সাথে কুষ্টিয়ার কোর্টপাড়ায় চলে আসেন। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন।

হোসেন সঙ্গীত প্রশিক্ষক ও নিরীক্ষক হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ পাঠ্যপুস্তক বোর্ড দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া তিনি নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুলগীতির আদি সুরভিত্তিক নজরুল স্বরলিপি প্রমাণীকরণ পরিষদের সদস্য।

হোসেনের ছয়টি নজরুলগীতির অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। তার সর্বশেষ নজরুলগীতির অ্যালবাম হল শাওনো রাতে যদি। এছাড়া তার ১২টি ইসলামী গানের অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছে। তার একমাত্র আধুনিক গানের অ্যালবাম চম্পা নদীর তীরে।

নজরুলগীতিতে অনবদ্য অবদানের জন্য ২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে একুশে পদক পান। এছাড়াও, তিনি নজরুল একাডেমি পদক, শিল্পকলা একাডেমি পদক, কলকাতা থেকে চুরুলিয়া পদকসহ বহু সম্মাননা লাভ করেছেন।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত