শিরোনাম

জাজ মাল্টিমিডিয়ার নতুন উদ্যোগ

প্রিন্ট সংস্করণ॥বিনোদন প্রতিবেদক  |  ০১:২৩, এপ্রিল ১৮, ২০১৯

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। চলচ্চিত্রে ডিজিটাল রূপ দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে সে বছরই ‘ভালোবাসার রং’ নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর ডিজিটাল প্রজেকশন বসিয়ে দেশের কিছু হল ডিজিটাল করে মুক্তি দেয় চলচ্চিত্র। বতর্মানে ৩১০টি প্রেক্ষাগৃহে প্রজেকশন রয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়ার। এছাড়া ২১টি প্রেক্ষাগৃহ নতুন করে চালু করেছে জাজ।সম্প্রতি বিভিন্ন কারণে দেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ কমে এসেছে। চলচ্চিত্র মুক্তি নিয়ে প্রযোজক-পরিচালকদের বিভিন্ন অভিযোগে আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা। নতুন চলচ্চিত্র না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হওয়ার পথে। দেশীয় চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলিম উল্লাহ খোকন এক প্রেস বিজ্ঞপিতে জানান, অতীতের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে বর্তমানে ৩৩০টি প্রেক্ষাগৃহে প্রজেকশন মেশিন বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আরও প্রজেকশন বসানোর জন্যও প্রস্তুত প্রতিষ্ঠানটি। চলচ্চিত্র মুক্তির জন্য সফটওয়্যার আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা হয়েছে। চলচ্চিত্র প্রযোজকদের লগ্নিতে উদ্বুদ্ধ করতে ভিপিএফ বিল যৌক্তিকভাবে কমানো হয়েছে। এছাড়া প্রেক্ষাগৃহে সার্ভার, প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিস্টেমের ভাড়া ফ্রি করে দেয়া হয়েছে। প্রেক্ষাগৃহগুলোতে সহযোগিতা করতে দক্ষ জনবল নেয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, এ পর্যন্ত জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ৪০টি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। আগামী ঈদুল ফিতরে সারাদেশে মুক্তি পাবে ‘বেপরোয়া’ চলচ্চিত্রটি। মুক্তির প্রক্রিয়াধীন আছে ‘শনিবার বিকেল’। প্রেক্ষাগৃহ বাঁচাতে ভারত থেকে চারটি চলচ্চিত্র আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি জাজের প্রযোজনায় নতুন আরও ৪টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হবে। যার মধ্যে ‘জ্বীন’ এবং শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘জিপিএস ট্রাকার’-এর প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্যও ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত