‘গুলিস্তানে দিনের বেলা বসতে পারবে না হকাররা’

১৫:৪৭, জানুয়ারি ১১, ২০১৭

কর্মদিবসে গুলিস্তান ও এর আশপাশের এলাকার ফুটপাতে দিনের বেলা কোনো হকার বসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন।এই সিদ্ধান্ত আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হকাররা বসতে পারবেন। এছাড়া তালিকাভুক্ত হকাররা যদি আবেদন করে তাহলে তাদের বিদেশ পাঠানোসহ বিকল্প কর্মসংস্থানে সহযোগিতা করা হবে।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে নগরভবনে হকার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। দিনের বেলা বসতে না পারলেও অবশ্য সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর হকাররা গুলিস্তান এলাকায় বসতে পারবেন।

সভায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবদুল ওয়াহাব ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন, “সাপ্তাহিক কর্মদিবসে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার আগে আমরা কাউকে ফুটপাত ও সড়কে বসতে দেব না। সড়কে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

“আমাদের এ কর্মসূচির আওতায় গুলিস্তান, মতিঝিল, পল্টন, জিরো পয়েন্ট, বায়তুল মোকাররম এলাকার ফুটপাত ও সড়ক থাকবে। এ ব্যাপারে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করবেন। এ কাজে ঢাকা মহানগর পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।”

হকারদের পুনর্বাসনে সিটি করপোরেশন সহায়তা করবে বলেও জানান মেয়র। “কেউ বিদেশ যেতে চাইলে সিটি করপোরেশনে আবেদন করতে হবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

“বিদেশ যাওয়ার জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে সহায়তা করবে সিটি করপোরেশন। যেখানেই সুযোগ হবে, আমরা চাই তারা নিজেরা নিজেদের কর্মসংস্থান করবে।”

ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে লাইনম্যানরা চাঁদাবাজি করে, হকার নেতাদের এমন অভিযোগে মেয়র জানান, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম বন্ধ করা হবে। “আমাদের কাছে তালিকা আছে, তালিকা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশ এটা বাস্তবাযন করবে বলে জানান তিনি।