শিরোনাম

অপ্রতিরোধ্য জয়যাত্রায় আমার সংবাদ

প্রিন্ট সংস্করণ॥শফিকুজ্জামান  |  ০৯:৫৮, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ত্যাগ আর একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাদীপ্ত অঙ্গীকার নিয়ে অগণিত পাঠকের কাছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আজ থেকে ৬ বছর আগে অসীম সাহসি চ্যালেঞ্জ নিয়ে পথচলা শুরু করে দৈনিক আমার সংবাদ। ‘সত্য ও সুন্দরের সন্ধানে প্রতিদিন’ এই চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আমার সংবাদ বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ১৬ কোটি মানুষের প্রিয় মুখপত্র হিসেবে পত্রিকার জগতে ধূমকেতুর মতো আত্মপ্রকাশ করে। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। সাংবাদিকদের জাতির বিবেকও বলা হয়ে থাকে। সততা, বস্তনিষ্ঠতা ও পক্ষপাতহীন হয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু সাধারণতঃ শহর-বন্দর-নগর। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ভিতর থেকে সাংবাদিকদের লেখার জন্ম। একদিকে সামাজিক দায়িত্ববোধ অন্যদিকে সামাজিক প্রথাগত উৎপাদনে অনীহা- এই দুয়ের মাঝখানে ঘটতে থাকে একজন সাংবাদিকের টিকে থাকা ও লেখার যুদ্ধ। এ ছাড়া রাষ্ট্রের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা বা মোকাবেলা করেই একটা জীবন কাটাতে হয় সাংবাদিকদেরকে। প্রচলিত জীবনের প্রতি অনীহা ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির স্রোতে সভ্যতা ও ইতিহাস নির্মাণে নতুন জীবন অনুসরণেই সৃজনশীল সাংবাদিকতার পথ। শুদ্ধতা ও সমৃদ্ধির পথে মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী মিডিয়া, এর বিরাট একটি অংশ জুড়ে আছে খবর। এছাড়া, তথ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনোদনের মত বিষয়গুলো তো রয়েছেই। স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থেকেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সকল মত ও পথকে নিরপেক্ষভাবে ধারণ করার অনন্য নজির আমার সংবাদ।’ অনেক প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে প্রতিষ্ঠার পর হতেই বাংলাদেশে জনপ্রিয় পত্রিকাটি দেশ ও জনগণের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। নির্ভীক, সৎ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার দৃষ্টান্তে জন্ম নেয়া ‘দৈনিক আমার সংবাদ’ হাটি হাটি পা-পা করে আজ ৭ম বর্ষে পদার্পণ করলো। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংবাদ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনসহ আঞ্চলিক খবর পরিবেশন করছে। বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর সংবাদ প্রকাশে সর্বাধুনিক মুদ্রণ প্রক্রিয়ায় প্রতিদিন নতুনত্ব আনার প্রত্যয়ে প্রকাশনার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে বাংলাদেশের পাঠকপ্রিয় পত্রিকাটি। ইতিবাচক ও গঠনমূলক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে নির্ভীক সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নিদর্শন স্থাপন করেছে এই দৈনিকটি। গত ছয় বছরে সাধারণ মানুষের মুখপত্র হিসেবে বস্তুনিষ্ঠ খবর পরিবেশনে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সংবাদপত্র জগতে নতুন মাত্রা যোগ করে বস্তুনিষ্ঠ নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছে। আমার সংবাদ যে ঐতিহ্য গড়ে তুলেছে সৎ সাংবাদিকতা ও নির্ভীকতায়, সেই ভাবমূর্তি ও গৌরবময় ঐতিহ্য আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। দেশের গণমানুষের আশা আকাঙ্খা, স্বাধীনতা ও সাবভৌমত্ব ও মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সঠিক ও নির্ভুল খবর প্রকাশের মধ্য দিয়ে আমার সংবাদ আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। একটি নিরপেক্ষ পত্রিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আধুনিক বিশ্বের সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে এর উন্নয়নে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। একটি সংবাদপত্রকে তার সাহসী ভূমিকা দিয়েই পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে হয়। দলমত নির্বিশেষে সবার মতামত প্রকাশের শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকা হিসেবে দেশ মাতৃকাকে এগিয়ে নেওয়ার পথে আরো বলীয়ান হোক। একটি সংবাদপত্রের আয়ু নির্ভর করে তার পাঠক সংখ্যার ওপর। আর পাঠক সংখ্যা নির্ভর করে বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর। প্রতিটি সংবাদপত্রের কিছু দর্শন থাকে, প্রকৃত তথ্য ও সত্য খবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে সেই দর্শন প্রভাব ফেলে। সংবাদপত্র জগতে সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় হলো স্বাধীন সংবাদপত্র। সংবাদপত্রের সব প্রতিবেদন বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। তথ্য প্রমাণ থাকতে হবে। প্রতিবেদনে সব পক্ষের বক্তব্য থাকতে হবে। এগুলো ছাড়া কোন প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা স্বাধীনতার অপব্যবহার বলে বিবেচিত হয়। সত্য প্রকাশই পাঠকের কাছে সংবাদপত্রের প্রধান অঙ্গীকার। শেষ বিচারে সাংবাদিকদের সাফল্য নির্ভর করবে জনস্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরার মধ্যে। এই দীর্ঘ সময়ে আমার সংবাদ তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি।এ চেষ্টা আগামীদিনেও অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা রাখছি। অনেক সময় দেখা যায়, কলুষিত সাংবাদিকতার বিষবাষ্প নিভিয়ে দিচ্ছে এই পেশার পবিত্রতা আর সৌন্দর্যের আলো। সেসব কলুষিত ব্যক্তির অন্যায় অপরাধ এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাই। একশ বছর আগে সাংবাদিক- সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ মজুমদার বলেছিলেন, ‘সৎ সাংবাদিকের কোনো বন্ধু থাকতে নেই’। আজ বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকতায় এক বিশেষ ধারা বা প্রবাহ উন্নয়ন সাংবাদিকতা। উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়টি ইংরেজিতে ‘ডেভেলপমেন্ট জার্নালিজম’ হিসেবে পরিচিত। উন্নয়ন সাংবাদিকতা নেতিবাচক বিষয় বর্জন করে ইতিবাচক বিষয়কে উৎসাহিত করে। বিংশ শতাব্দীতে উন্নয়ন সাংবাদিকতা ধারণাটি সাংবাদিকতায় বিশেষ এক সংযোজন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাংবাদিক ওয়াল্টার লিপম্যানের মতে, ‘যেখানে সাংবাদিকরা জনগণ ও নীতিনির্ধারণী এলিটদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে, সেটিই উন্নয়ন সাংবাদিকতা। এর বিস্তারিত ব্যাখ্যায় তিনি আরও বলেছেন, ‘যেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে এলিট শ্রেণি-সবার কথা শুনে, দেখে এবং জনগণকে শোনার, দেখার এবং পড়ার ব্যবস্থা করে দেয়। সরকার, পলিসি মেকার ও জনগণের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে সরকারের সঙ্গে জনগণ যোগাযোগ করে এবং সরকারও জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এর মধ্য দিয়েই কার্যকর উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হয়। বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গণযোগাযোগের প্রায়োগিক ধরণ হিসেবে উন্নয়ন যোগাযোগের বিকাশ ঘটে। যোগাযোগ সম্পর্কিত কলা ও বিজ্ঞানের এ সমন্বিত ব্যবহার উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে গতিশীল করে তোলে। তাই দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে উন্নয়ন কার্যক্রম সংঘটিত হচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প, উন্নয়ন ফলাফল, উন্নয়ন প্রকল্পের দুর্নীতি, অনিয়ম, সাফল্যের সংবাদসহ সচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অগ্রগতিতে, মানুষের জীবনমান উন্নয়নে, পারিপার্শ্বিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে উন্নয়ন সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। এশিয়ার বহু দেশে উন্নয়নের প্রধান শক্তি এখন উন্নয়ন সাংবাদিকতা। যে পথে এখন বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পথচলা। বাংলাদেশের সংবাদপত্র শিল্প এবং সাংবাদিকতা পেশাকে নিরপেক্ষ এবং জবাবদিহিতামূলক করার লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে ও উদ্যোগে ১৯৭৪ সালে প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট প্রণীত হয়। বঙ্গবন্ধু নিজেও কিছুদিন সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিলেন দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার পূর্ব পাকিস্তান প্রতিনিধি। তবে তিনি নিজেই যে সংবাদকর্মী বা সাংবাদিক ছিলেন, সেকথা কখনও কোন ভাষণে তিনি উল্লেখ করেননি। এ তথ্যটি জানা যায় ২০১২ সালে প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ থেকে। আমার সংবাদ বাংলাদেশের ইতিহাসের ক্রম বিবর্তনে বলিষ্ঠ অবদান রেখেছে। গণতান্ত্রিক সকল আন্দোলন সংগ্রামে জনস্বার্থে যেমন অবদান রয়েছে, তেমনি সচেতন পাঠক তৈরিসহ কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনেও পত্রিকাটি আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই হোক আমার সংবাদের পথ চলার প্রেরণা ও প্রাণশক্তি। একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক সাংবাদিকতার নান্দনিক সকল আয়োজন নিয়ে সূচনা লগ্নে আমার সংবাদ পরিবারে মিলিত হয়েছিলো একঝাঁক উদিয়মান তুখোড় কলম সৈনিক। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত আছে আজও। যাদের ক্ষুরধার কলমের খোঁচায় বিরোচিত ও সাহসি পদক্ষেপে সমাজের সকল অসঙ্গতি চিরতরে দূর হয়ে জন্ম নিবে একটি উন্নত ও স্বচ্ছ সমাজ ব্যবস্থা। এ আদর্শকে মূলমন্ত্র হিসেবে হৃদয়ে ধারণ করে ‘আমার সংবাদ’র প্রতিটি কলম সৈনিক যুদ্ধ করে যাচ্ছে অবিরাম- প্রতিনিয়ত। আপন উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছার লক্ষ্যে আমার সংবাদ’র দৃঢ়তা ছিলো অত্যন্ত মজবুত আর পথচলায় ছিলো আত্মপ্রত্যয়ী এবং অকুতোভয়। যার ফলে পথচলার শুরুতে নানান প্রতিবন্ধকতার শিকার হওয়া সত্ত্বেও ধীরে ধীরে চূড়ান্ত সফলতার প্রহর গুণতে শুরু করে আমার সংবাদ পরিবার। সমাজের বিবেক ও দর্পণ হচ্ছে সাংবাদিকরা। আমার সংবাদ সমাজের নিপীড়িত, নির্যাতিত, মানুষের পাশে বন্ধুর মত দাঁড়িয়ে সব সময় সত্য ও ন্যায়ের পথে কাজ করে যাচ্ছে। সকল অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বস্তনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে সমাজের সকল অসঙ্গতিকে রুখে দিয়ে দেশের কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করছে। কিছুদিন আগেও ডিজিটাল প্রযুক্তি কী এটা জানাই ছিলো না মানুষের। গ্রাম-বাংলার বেশিরভাগ এলাকায় একসময় পত্রিকা পৌঁছাতো একদিন পর। তখনও মানুষ উন্মুখ হয়ে থাকতো, পত্রিকায় কী কী খবর ছাপা হয়েছে তা জানার জন্য। কিন্তু আজ ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কাক ডাকা ভোরে দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে যায় আমার সংবাদ। শুধু পত্রিকাই নয় প্রতি মুহূর্তের খবর বিশ্বের সকল পাঠকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে আমার সংবাদ অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে। এছাড়াও আমার সংবাদে প্রকাশিত গুরুত্ব নানান খবরগুলো বিশেষ ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়। যার বলিষ্ঠ হাত ধরে আমার সংবাদ’র আজকের এই পথচলা, সেই দৃঢ়চেতা, আত্মপ্রত্যয়ী, বজ্রকঠিন এবং আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্ব- পত্রিকার যোগ্য সম্পাদক ও প্রকাশক শ্রদ্ধেয় হাশেম রেজা বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি এক মুহূর্তের জন্যেও। তার অত্যন্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন বিচক্ষণ চিন্তাধারার ফলে সকল প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দৈনিক আমার সংবাদ পথচলা শুরু করে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে গণমাধ্যম ভূবনে। ছয় বছর আগের সেই নবজাতক শিশুটি আজ তার বেড়ে ওঠার প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমার সংবাদ সমাজের অবহেলিত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে সর্বদা থাকে সোচ্চার। সমাজের সকল অঙ্গনে নিজ সফলতার স্বাক্ষর রেখে আজ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ও পাঠকের মাঝে আমার সংবাদ’র শক্ত অবস্থান সু-প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অপ্রতিরোধ্য অবস্থানে থেকে এর পথচলা প্রতিনিয়ত অব্যাহত থাকবে সত্য সুন্দর ও ন্যায়ের পক্ষে। সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর প্রতিরোধে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনসহ এগিয়ে যাবে আগামীর পথে। আমার সংবাদ’র পথচলার সফলতার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের এই গৌরবময় শুভ মুহূর্তে সম্মানিত অগণিত শুভানুধ্যায়ী, বিজ্ঞাপনদাতা, এবং পাঠকদেরকে জানাই আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিবাদন। শুদ্ধতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এবং গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তি দেয়ার লক্ষ্যে প্রগতিশীল জাতীয় ‘দৈনিক আমার সংবাদ’ পালন করবে ঐতিহাসিক ও অগ্রণি ভূমিকা। প্রতিশ্রুতি রইলো ‘আমার সংবাদ’ প্রতিটি মুহূর্তে আছে এবং থাকবে আপনার পাশে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত