শিরোনাম

কাল থেকে ৩ দিনের লালন স্মরণোৎসব

প্রিন্ট সংস্করণ॥কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  |  ০১:৩২, মার্চ ১৯, ২০১৯

কাল বুধবার থেকে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়িতে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব। সেই সঙ্গে বসবে গ্রামীণমেলা। দোল পূর্ণিমার রাতে আনুষ্ঠানিভাবে বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের মাজারে তিন দিনব্যাপী এ স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করা হবে। এ স্মরণোৎসবকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি লাখো বাউল ভক্তদের আগমন হবে লালন আখড়াবাড়িতে। এবারের আয়োজনে মরমী সাধক বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইজির অমর বাণী ‘মনের গরল যাবে যখন, সুধাময় সব দেখবি তখন’-এ প্রতিপাদ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় লালন একাডেমির আয়োজনে এ ফায়ার সার্ভিসের দপ্তরের বাইরে। ২৬ ফেব্রুয়ারি টাকা নিতে এলে তাকে হাতেনাতে ধরেন ডিবি সদস্যরা। তবে এ সময় তার সঙ্গে থাকা দুই সহযোগী ফেরদৌস ও রমজান পালিয়ে যান।কথিত সচিব রনি আমিনের বাবার নাম আব্দুস সাত্তার। গ্রামের বাড়ি নড়াইলের পাঁচুড়িয়ায়। তিনি ঢাকা শহরের শনির আখড়ার ৪২০/এ নূরপুর ভবনে ববাস করতেন। রনি আমিন দ্বারা প্রতারিত অপু কুমার মন্ডল খুলনা দৌলতপুরের বিএল কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিনি জানান, ফেরদৌস (৩০) নামে আমার এলাকার একজন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে মাহবুব আলম নামে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কথিত ওই সহকারী সচিবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ফেরদৌস ও কথিত সচিব মাহবুব আমার কাছ থেকে চাকরি বাবদ সাত লাখ টাকা দাবি করেন। আমি দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে রাজি হই। পরে অবশ্য তাদের প্রকৃত পরিচয় জেনে যাই। কথিত ওই সচিবকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ডে ডিবি জানতে পারে, একের পর এক কুকর্ম এবং তার অপকৌশল।ডিবির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, প্রতারণার সঙ্গে তিনি একা জড়িত নন। তাদের একটি চক্র আছে। চক্রের সদস্যরা গ্রাম, ইউনিয়ন পর্যায়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের টার্গেট করে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখান। এ চক্রের মূলহোতা চট্টগ্রামের এক ব্যক্তি। এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করে পরাজিত হওয়া একটি রাজনৈতিক দলের নেতাও এ চক্রের শীর্ষপদে রয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলম বলেন, তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ব্যক্তিকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। আসামিরা বিভিন্ন স্থানে নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচয় দেন।সমপ্রতি তারা মো. নূর ইসলামসহ আরও কয়েকজনের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে ভুয়া ও জাল নিয়োগপত্র ইস্যু করে প্রতারণা করেন। এমনকি চাকরিপ্রত্যাশীদের সার্টিফিকেট না থাকলে জাল সার্টিফিকেটসহ ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করেন। এ চক্রের মূলহোতা ও পলাতকদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে ডিবি। সবাইকে গ্রেপ্তার করে চক্রটির কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় করা এবং তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দেয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এ তদন্ত কর্মকর্তা।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত