শিরোনাম

মুকুলে ছেয়ে গেছে বরেন্দ্রের আম বাগান

প্রিন্ট সংস্করণ॥ এম আর রকি, নওগাঁ  |  ০৬:৫৭, ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১৯

শীতের প্রকোপ এবার কিছুটা কম থাকায় বরেন্দ্রর বাগানগুলোতে বেশ আগেভাগেই এসেছে আমের মুকুল। আগাম মুকুলে আগাম ফলনের সাথে ভাল দাম পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন বাগান মালিকরা। আর গাছে মুকুল দেখে বাগানের দরদাম হাঁকতে শুরু করেছেন ব্যাপারীরা। কৃষি বিভাগ বলছে, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবার গেল বছরের চেয়ে আমের উৎপাদন বেশি হবে। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের আম বাগানগুলো। থোকা থোকা হলুদ রংয়ের মুকুলের ভারে আম গাছের ডাল পালা ঝুলে পড়েছে। এবার শীত কম তাই বেশ আগেই এসেছে এসব গাছে মুকুল। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা ভাল ফলনের স্বপ্ন দেখছেন এবার । গাছে মুকুল ও গুটি আম দেখে ইতোমধ্যে বেপারীরা বাগানের দরদাম হাঁকছেন। আর বাগান মালিকরা আমের ভাল ফলন পেতে ছত্রাক নাশক প্রয়োগসহ বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন । ফল গবেষণার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকা সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুরে ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, আম্রপালি, ও মোহনভোগ জাতের সুস্বাদু আমের উৎপাদন বেশি হয়। আমের ভাল ফলন নিশ্চিতে বাগান মালিকদের সহযোগিতা করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষি কর্মকর্তা উপ-সহকারী সেলিম রেজা বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি পুরাতন জাতগুলো না করে নতুন জাতগুলো করবো। কৃষিবিভাগ সব রকমের সহযোগিতা দিচ্ছে।’ কৃষি কর্মকর্তা উপ-সহকারী শামীম মাহমুদ বলেন, ‘মুকুল যে পরিমাণে আসছে সামনে দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই হয়ত ফুলই চলে আসবে। ফলন এবার খুব বেশি আশা করছি।’ বরেন্দ্রর বাগানগুলোতে এবার আগাম মুকুল আসায় ভাল ফলনের আশা কৃষি বিভাগের। পোরশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর শীত কম থাকায় এই মুকুলের সমারোহ। বর্তমানে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা বালাই নাশক প্রয়োগ করছে, সুষ্ঠু পরিচর্যা করলে ও বাজার পেলে কৃষকরা আম চাষে উৎসাহিত হবেন।’ জেলার ১৪ হাজার ৫শ হেক্টর জমির বাগানে প্রায় সোয়া ২ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে কৃষি বিভাগ।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত