শিরোনাম

ভুরুঙ্গামারীতে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  |  ১২:১১, জানুয়ারি ৩০, ২০১৯

 

কুড়িগ্রাম জেলার শস্য ভান্ডার খ্যাত ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। দুটি ফসলের মাঝে কৃষকরা সরিষা চাষের ফলনকে বোনাস হিসেবে দেখছেন। এ সময় কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতো। সময়ের সাথে সাথে তা পুরোটাই পাল্টে গেছে। আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা লাগাতে হয়। যা মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে ফসল কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ শেষে ফলনের ভারে সরিষা গাছ এখন নুয়ে পরেছে।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে – সরিষা চাষ খুবিই লাভজনক একটা আবাদ। অতি অল্প সময়ে, অল্প পুজিতে কৃষকরা লাভবান হন তাই অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা চাষের দিকে ঝুকছেন। এক বিঘা (৩৩শতাংশ) জমিতে সরিষা আবাদ করতে খরচ হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। যদি সঠিক ভাবে পরিচর্চা করা যায় তাহলে প্রতি বিঘায় ফলন হয় ৬ থেকে ৭ মণ সরিষা।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এবছর ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মোট ১হাজার ৬শত ২২হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্জিত হয়েছে ১৩৯২ হেক্টর। যা গত বছর একি সময়ে ছিল ১২০০ হেক্টর আর অর্জিত হয়ে ছিল ১২২০ হেক্টর জমিতে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন- সরিষা মূলত একটি মসলা জাতীয় ফসল। ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে নানা ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ সার্বক্ষনিক মাঠে কৃষকের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। যাতে কৃষকের কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আশা করছি প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে এবার সরিষার ফলন নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত