শিরোনাম

নাগেশ্বরীতে টমেটোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

প্রিন্ট সংস্করণ॥নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  |  ০২:২০, ডিসেম্বর ২০, ২০১৮

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় শীতকালীন সবজি টমেটোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছ। বাম্পার ফলনের সম্ভাবনাময় টমেটো ক্ষেতগুলোর প্রতিটি টমেটোর শাখা-প্রশাখা এখন সবুজ, সতেজ লতা-পাতা আর হলদে ফুল ও কুঁড়িতে ভরপুর। তা দেখে কৃষকের চোখেমুখে প্রশান্তির ছাপ। সরেজমিন নাগেশ^রীর বদিজ্জামানপুর, মালভাঙ্গা, খাসমহল, চর রহমানের কুটি, কাপালীপাড়া, বেগুনীপাড়া, বটতলাসহ পাইকেরটারীর ছোট-বড় বেশ কয়েকটি টমেটো ক্ষেত ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না এলে এবার টমেটোর বাম্পার ফলন হবে এমন আশাবাদী এসব গ্রামের টমেটো চাষিরা। তবে টমেটো চাষে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা, তাৎক্ষণিক রোগ বালাই শনাক্তকরণ ও প্রতিকারে সরকারি নজরদারি না থাকায় অধিক লাভ থাকার পরও টমেটো চাষে আগ্রহী হচ্ছেন না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন বেশকিছু কৃষক। এর মধ্যেও নিজ নিজ অভিজ্ঞতায় বুকে অসীম সাহস নিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী করতে বাড়তি আয়ের আশায় টমেটো চাষে এগিয়ে এসেছেন অনেকেই। তাদের মধ্য থেকে বেগুনী পাড়ার আবু সামা বলেন, অন্য সব ফসল থেকে টমেটো চাষে তুলনামূলক কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এবার ৩২ শতক মাটিতে টমেটো চাষ করেছি, আশা করি ফলন ভালোই হবে। কাপালীপাড়ার টমেটো চাষি নূরল ইসলাম জানান, আমার আদি পেশা কৃষি, অন্য সব ফসল থেকে টমেটোতে অনেক লাভ, তাই এবারো দেড় বিঘা (৪৮ শতক) জমিতে টমেটো আবাদ করেছি, ৪৮ শতক জমিতে টমেটো চাষ করতে এ পর্যন্ত ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, আল্লাহ সহায় থাকলে আর বড় কোনো বিপদ-আপদ না হলে এই ৪৮ শতক জমি থেকে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। একইভাবে কথা হয় অনেকের সাথে। তবে সবার কথায় টমেটো চাষে টমেটোর বিপদকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, সাহায্য, সহযোগিতা দিয়ে কৃষকদের টমেটো চাষে আরো বেশি আগ্রহী করে তোলার জন্য সংশিষ্ট কৃষি বিভাগকে এগিয়ে আসার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ নিয়ে কথা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামছুজ্জামান বলেন, টমেটো চাষে সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ না থাকায় আমরা কৃষকদের টমেটো চাষে কোনো উপকরণ দিতে পারি না। তবে টমেটো চাষ সম্প্রসারণে ও কৃষকদের আগ্রহী করতে আমরা কৃষি বিভাগ থেকে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত