শিরোনাম

সরকারিভাবে ধান-চাল ক্রয় না করায় লোকসানে কৃষকরা

প্রিন্ট সংস্করণ॥বাবুল মিয়া, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি  |  ০১:৩১, মে ১৭, ২০১৮

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সরকারিভাবে ধান, চাল ক্রয় না করায় চলতি ইরি বোরো মৌসুমের শুরুতে লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটা মাড়াই খরচ পরিশোধ করতে কম মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে বর্গা চাষীরা। ধান-চাল ক্রয় না হওয়া বাজার দর ফরিয়া ব্যবসায়ীরে কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। দুর্যোগ প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে একর প্রতি ১১ হাজার হইতে ১৪ হাজার পর্যন্ত ব্যয়ে শ্রমিক মিলছে না। উপজেলা ধান ক্রয় বরাদ্দ না থাকায় এ উপজেলার কৃষরা লাভের আশায় ধান চাষ করলেও লোকসানের মুখে পড়েছেন।  সরকারি ভাবে প্রতি কেজি চালের মূল্য ৩৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল জলিল ব্যাপারী বলেন, এ উপজেলায় ৫২৫ মেট্রিক টন চাল ক্রয়ে জন্য  ১ মে শুরু করার কথা থাকলেও আগামী ২০ মের মধ্যে মিলারদের সাথে চাল ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর চাল সংগ্রহ শুরু হলে বাজারে ধানের দাম বৃদ্ধি হবে। ধান ক্রয়ের বরাদ্দ পেলে কৃষকরা লাভবান হত। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ১১ হাজার ১শ ৪৬ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও উপজেলায় চাষাবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৫শ ৫০ হেক্টর জমিতে।  এ মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নেক-ব্লাষ্টের আক্রমণ ও বিভিন্ন পোকার আক্রমনে কিছু ধানের ক্ষতি হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা ধান কাটা মাড়াই শুরু করলেও শ্রমিক শংকট দেখা দেয়।  উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের কৃষক গোলাম আজম বলেন, আমার ১ একর জমির ধান কাটা মাড়াইসহ প্রায় ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। উপজেলা বেতগাড়ী ইউনিয়নের চাঁন মিয়া, নয়া মিয়া, বুলু মিয়া, কোলকোন্দ ইউনিয়নের আব্দুল বারেক, শিপন মাজাহারুল ইসলামসহ অনেকে জানান, লাভের আশায় ধান চাষ করেও এবার লোকসান গুনতে হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের সাথে কথা হলে সবাই একই কথা বলেন। গঙ্গাচড়া বাজারের ধান ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জনান, মহাজনের কাছে ধানের চাহিদা না থাকায় মোটা ধান ৫৫০, চিকন ধান ৬০০ টাকায় ক্রয় করছি।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত