শিরোনাম

মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখর বরেন্দ্রর আম বাগানগুলো

প্রিন্ট সংস্করণ॥ এমআর রকি, নওগাঁ  |  ০২:২৩, মার্চ ০৯, ২০১৮

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে এবার বরেন্দ্রর বাগানগুলোতে দেরিতে এসেছে আমের মুকুল। তবে পর্যাপ্ত মুকুল আসায় নওগাঁর সাপাহার ও পোরশার আম বাগানগুলো নিয়ে লাভের স্বপ্ন দেখছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। ভালো ফলন পাওয়ার আশায় বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। ইতোমধ্যে মুকুল ও আমের গুটি দেখে বাগানের দরদাম হাঁকছেন ব্যাপারিরা। কৃষি বিভাগ বলছে, দেরিতে মুকুল এলেও ফলনে কোনো প্রভাব পড়বে না বরং গেলো বছরের চেয়ে এবার উৎপাদন বেশি হবে।
মুকুলে মুকুলে ছেয়ে যাওয়ায় নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের আম বাগানগুলো এখন মুখর মৌ মৌ গন্ধে। থোকা থোকা হলুদ রংয়ের মুকুলের ভারে আমগাছের ডালপালা ঝুঁলে পড়েছে। বাগান মালিকরা আমের গুটি ঝরে পড়া রোধে পানি ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সাপাহার খঞ্জনপুর এলাকার বাগান মালিক আলাউদ্দিন, তোফাজ্জল হোসেনসহ বেশ কয়েকজন জানালেন– এবার আমের মুকুলে এখন পর্যন্ত কোনো মড়ক দেখা যাচ্ছে না। সাপাহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএফএম গোলাম ফারুক হোসেন বলেন, প্রথম দিকে ঘন কুয়াশার কারণে আমের মুকুল আসতে দেরি করে। তবে এবার আশাতীত মুকুল দেখে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এখানে একটি আম সংরক্ষণাগার স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালি চলছে।
ফল গবেষণার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকা সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুরে ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, বোম্বাই, আম্রপালি, হিমসাগর, লখনা ও মোহনভোগ জাতের সুস্বাদু আমের উৎপাদন বেশি হয়। আমের ভালো ফলন নিশ্চিতে বাগান মালিকদের নানা পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। আর আম গবেষণা ও বাজার নিশ্চিতে সংরক্ষণাগার গড়ে তোলার আহবান জানান সাপাহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম চৌধুরী। জেলার ১২ হাজার ৫শ হেক্টর আম বাগানে ২ লাখ ১২ হাজার ৫শ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে কৃষি বিভাগ।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত