শিরোনাম

বৃষ্টিতে পচন ধরেছে তরমুজে, দিশেহারা চাষিরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি  |  ১৪:২২, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭

নোয়াখালীতে দফায় দফায় বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শত শত হেক্টর তরমুজের খেত। আর শিলাবৃষ্টির কারণে পচন ধরেছে তরমুজে। এ অবস্থায় ব্যাংক ও মহাজনের ঋণ পরিশোধের দুশ্চিন্তায় দিশেহারা চাষিরা। বিষয়টি স্বীকার করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষকের উদাস দৃষ্টি বলে দেয় কতোটা অসহায় তারা। চোখের সামনেই নষ্ট হচ্ছে ফসল। নোয়াখালীতে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে তরমুজের খেত। সেই সাথে মরার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে শিলাবৃষ্টি। এতে হেক্টরের পর হেক্টর জমির তরমুজ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিতে ডুবে পচে যাচ্ছে তরমুজ।

খেত বাঁচাতে অনেকে সেচ দিয়ে শেষ রক্ষার চেষ্টা করছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সুবর্ণচর ও সদর উপজেলার চাষিরা। ফলন ভালো হলেও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্যোগের মুখে অসহায় তারা।

কৃষকরা জানান, 'চাষের আগে তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়েছেন। বৃষ্টিতে তরমুজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই ঋণও শোধ করতে পারবেন না তারা। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক প্রণব ভট্টাচার্য্য।

তিনি বলেন, 'একেক জন কৃষক চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা লাভই করেন তরমুজ চাষ করে। সেখানে এটি তো তরমুজ চাষিদের জন্য বিরাট ক্ষতি। তাদের পরবর্তী ফসলে এই ক্ষতিটা কিভাবে পুষিয়ে নেয়া যায় সেদিকে আমরা নজর দেবো।' কৃষি বিভাগ জানায়, এ বছর নোয়াখালীর ৪ উপজেলায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত