শিরোনাম

ধানের ব্লাস্ট রোগ ও দাম কম থাকায় বিপাকে কৃষক

প্রিন্ট সংস্করণ॥মামুন সরকার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)  |  ০৩:৫৬, মে ১৪, ২০১৯

একদিকে বোরো ধানের ব্লাল্ট রোগ অন্যদিকে ধানের সঠিক দাম না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ভূঞাপুরের বোরো চাষীদের। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ধান চাষে আগ্রহ হারাবে সাধারণ কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমান বাজারে প্রতি মণ বোরো চায়না ধান বিক্রি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকায়, ব্রি ধান ৫৮ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকায়, ব্রি ধান ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা দরে।

যেখানে একজন কৃষকের ১ কেজি ধানচাষ করতে খরচ হচ্ছে ১৬ থেকে ১৭ টাকা অর্থাৎ ১ মণ ধানচাষ করতে ব্যয় চচ্ছে ৬৪০ থেকে ৭২০ টাকা। সেখানে তাদের এক মণ ধান বিক্রি করতে হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকায়। যা প্রতি মণ ধানে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা। তবে সবচেয়ে বেশি লোকসানে পড়ছে বর্গা চাষীরা। উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক জমির মালিককে দেয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

ভালকুটিয়া গ্রামের বোরো চাষী চাঁন মিয়া, ভারই গ্রামের আবুল কাশেম, ফলদা গ্রামের ফরমান শেখ বলেন, ধানের ব্লাস্ট রোগ ও শীলা বৃষ্টির কারণে ফলন ঠিকমতো হয়নি। তাই এবছর ধান আবাদ করে বড় অংকের লোকসান হয়েছে আমাদের। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, এবছর ভূঞাপুর উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে।

চলতি বোরো মৌসুমে সব ধরনের কৃষি পণ্যের দাম বাড়ার কারণে কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। দিন রাত্রের তারতম্য ও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকার কারণে কিছু জমিতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছি যার ফলে ব্লাস্ট রোগের জীবাণু ধানের তেমন বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। এছাড়া শীলা বৃষ্টির কারণেও ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত