শিরোনাম

সুজানগরে বাড়ছে লতিরাজ চাষ

প্রিন্ট সংস্করণ॥জমিলুর রহমান লিটন, সুজানগর  |  ০৫:১৬, মে ০৭, ২০১৯

সুজানগর উপজেলার কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে লতিরাজ চাষে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সবজি কচু। যত্রতত্র বেড়ে ওঠায় আমাদের দেশে এর কদর তেমন একটা না থাকলেও এ সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, বি ও সি, লৌহ, ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। যা মানব দেহ গঠনে বেশ উপকারি।

বর্তমানে নানা জাতের কচুর বাণিজ্যিক আবাদ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুখীকচু , পানিকচু , পঞ্চমুখী কচু, ওলকচু, দুধকচু, মানকচু প্রভৃতি। আর পানি কচুর একটি জাত হলো লতিরাজ। সুজানগর উপজেলার খলিলপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ বলেন, লতির প্রাধান্য থাকার কারণেই হয়তো এটিকে লতিরাজ কচু বলা হয়ে থাকে। সুজানগর উপজেলায় অতীতে তেমন দেখা না গেলেও বর্তমানে উপজেলায় লতিরাজ কচুর আবাদে কৃষকদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

দিন দিন এলাকার কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে লতিরাজ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বছরের যে কোন সময়ই এ কচুর চারা রোপণ করা যায়। আর যে জমিতে সহজেই বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায় এবং অতিবৃষ্টিতে পানি বের করে দেয়া যায় এমন জমি লতিরাজ চাষে উপযোগী। চারা রোপণের ২ মাস পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সপ্তাহে ১/২ বার লতি সংগ্রহ করা যায়।

এছাড়াও এটির মূল কান্ড উৎকৃষ্টমানের কচু হিসেবে খাওয়া যায়। সাগরকান্দি ইউপির বরুরিয়া গ্রামের কৃষক আলতাব হোসেন জানান, লাভ বেশি হওয়ায় গত কয়েকদিন আগে ২০ শতক জমিতে লতিরাজ কচুর আবাদ করেছেন। সুজানগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ময়নুল হক সরকার জানান, এই উপজেলায় লতিরাজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত