শিরোনাম

হালুয়াঘাটে ঝিঙ্গা চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরা

এম এ খালেক, হালুয়াঘাট  |  ১৩:৫৬, এপ্রিল ২০, ২০১৯

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঝিঙ্গা চাষ। স্বল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা হওয়ায় হাইব্রীড জাতীয় ঝিঙ্গা চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরা। এ অঞ্চলের সবজি চাষীরা ঝিঙ্গা চাষ করে লাভবান হওয়ায় প্রতি বছরেই বাড়ছে সবজির চাষ।

উপজেলার ভুবনকুড়া ইউনিয়নের মাঝরাকুড়া গ্রামে বাণিজ্যিক ভাবে চাষাবাদ হচ্ছে ঝিঙ্গা। স্বল্প ব্যয়ে অধিক মুনাফা হওয়ায় ঝিঙ্গা চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় কৃষদের। এ মৌসমে প্রায় দশ একর ভূমিতে ঝিঙ্গা চাষ হয়েছে।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা সবজি চাষে ঝুকে পড়ছেন। ঝিঙ্গা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় গ্রীস্মকালীন সবজি। এটি শীত ও বর্ষা উভয় মৌসমে চাষ করা যায়। ঝিঙ্গায় প্রচুর পরিমানে ক্যারোটিন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। ‍ঝিঙ্গা যে কোনো মাটিতেই চাষ করা যায়। ‍হালুয়াঘাট উপজেলায় দুই ধরণের ঝিঙ্গা চাষ করা হয়, দেশি ঝিঙ্গা ও হাইব্রিড ঝিঙ্গা। দেশি ঝিঙ্গা আকারে ছোট ও ফলক কম বলেই হাইব্রিড ঝিঙ্গা চাষে আগ্রহ কৃষকের।

একবিঘা জমিতে ঝিঙ্গা আবাদ করতে খরচ হয় প্রায় ৭০ হাজার টাকা। ভাল ভাবে ফসল উৎপাদন করতে পারলে বিক্রি হয় প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, সরকারি ভাবে সহযোগীতা পেলে আরো বেশি বেশি চাষাবাদ করতে পাড়বেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ বলেন, উপজেলায় এ মৌস‍ুমে ১৪শত হেক্টর জমিতে শাকসবজির আবাদ হয়েছে। স্বল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা হওয়ায় ঝিঙ্গা চাষে স্বালম্বী হচ্ছেন চাষীরা। কৃষকদের সহযোগীতা করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত