শিরোনাম

কয়রায় বোরো চাষীদের মুখে হাসি

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি  |  ১৩:১৪, মার্চ ২৩, ২০১৯

চলতি মৌসুমে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৯শ ৩০ হেক্টর জমিতে বেরো ধানের চাষ করে স্থানীয় কৃষকেরা আশানুরূপ ফলনের আশা করছে। গত ১৫ দিনে কয়েক দফা বৃষ্টি হওয়ায় বোরো ধানের ক্ষেতগুলো সবুজে ভরে উঠেছে। ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বোরোর ফসলি ক্ষেত জীর্ণশীর্ণ আকার ধারণ করলে চিন্তিত হয়ে পড়েন কৃষকরা। চলতি মাসের প্রথমে একটানা ৫ দিনের বৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষেতের চেহারা পাল্টাতে শুরু করে। গত দু’দিনে আবারও বৃষ্টি হওয়ায় বোরোর ক্ষেতগুলো সবুজের হাতছানি দিচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, আমাদি ইউনিয়নে ১৪০ হেক্টর, বাগালীতে ১ হাজার ৮০ হেক্টর, মহেশ্বরীপুরে ৭৯ হেক্টর, মহারাজপুরে ১৭৫ হেক্টর, কয়রা সদরে ৯শ ৭৬ হেক্টর, উত্তর বেদকাশিতে ১ হাজার ৭শ ১৫ হেক্টর ও দক্ষিন বেদকাশিতে ৭শ ৬৫ হেক্টর জমিতে এ বছর বোরোর চাষাবাদ হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কয়রা সদরের ১নং কয়রা, ২নং কয়রা মধ্যবিল, গোবরা পূর্বচক, ৩নং কয়রা, উত্তর বেদকাশির কাটমারচর, বতুলবাজার, বড়বাড়ি, পশ্চিম মহারাজপুর, অন্তাবুনি, বাগালীর বামিয়া, বাঁশখালি, বগাা এলাকার বোরো ধানের খেতগুলো সবুজে ভরে গেছে।

মহারাজপুরের বোরো চাষী হেলাল উদ্দিন জানান, কয়েক দফা বর্ষা হওয়ায় ধানের চেহারা পাল্টে গেছে। এখন তিনি রেকর্ড পরিমাণ ফলনের আশা করছেন। ১নং কয়রা গ্রামের কৃষক নজরুল ঢালী জানান, তার ৩ একর জমিতে বোরো ধানের ভালো ফলনের আশা করছি।

কয়রা সদর ইউনিয়নে দায়িত্বরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুতাপ সরকার ও গুরুদাস মন্ডল বলেন, সহসা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে বিঘা প্রতি কৃষকেরা ১৮ মণের অধিক ধান পাবেন বলে আশা করা যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা একরামুল হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বোরো চাষীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সবক’টি ইউনিয়নে বোরোর ক্ষেতগুলো নিয়মিত দেখভাল করছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত